Book-page

মাছের গমন ( Locomotion of fish )

প্রাণীর নাম – মাছ, গমন অঙ্গের নাম, গমন পদ্ধতির নাম, গমন পদ্ধতি - মাছের সাতটি পাখনা আছে। একটি পৃষ্ঠপাখনা, একটি পায়ুপাখনা, একটি পুচ্ছপাখনা এবং একজোড়া করে বক্ষ ও শ্রোণী পাখনা। বক্ষপাখনার সাহায্যে মাছ জলের গভীরে যেতে পারে এবং শ্রোণীপাখনার সাহায্যে মাছ জলে ভাসতে পারে। পুচ্ছপাখনার সাহায্যে মাছ জলের দিক পরিবর্তন করতে পারে। পৃষ্ঠ ও পায়ু পাখনা সন্তরণের সময় মাছের ভারসাম্য রক্ষা করে।

মানব দেহে খনিজ লবনের প্রয়োজনীয়তা ( Importance of Minerals in Human body )

খনিজ লবনের প্রয়োজনীয়তা - জীব দেহের স্বাভাবিক পুষ্টির জন্য খনিজ লবনের প্রয়োজনীয়তা আছে। জীব দেহের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য খনিজ লবনের প্রয়োজন।
রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা অর্জনের জন্য খনিজ লবনের গ্রহনের প্রয়োজন আছ, সাতটি খনিজ লবনের নাম ও তাদের উৎস ।

আরশোলার গমন ( locomotion of Cockroach )

আরশোলার গমন ( locomotion of Cockroach )

প্রাণীর নাম – আরশোলা

গমন অঙ্গের নাম – ১৷ পা , ২৷ ডানা

গমন পদ্ধতির নাম – ১৷ চলন , ২৷ উড্ডয়ন

গমন পদ্ধতি

চলন পদ্ধতি

১৷ চলা ফেরা বা হাঁটার জন্য আরশোলার তিন জোরা সন্ধিল পদ বর্তমান।

২৷ আরশোলার প্রতিটি সন্ধিল পদ পাঁচটি খণ্ডে বিভক্ত। যথা – টকণ্ডার, ফিমার, টিভিয়া, টার্সাস।

কেঁচোর গমন ( Lokomotion of Earthworm )

প্রাণীর নাম – কেঁচো, গমন অঙ্গের নাম, গমনে সাহায্যকারী পেশীর নাম, গমন পদ্ধতির নাম, গমন পদ্ধতি - কেঁচোর দেহ খণ্ডতলের অঙ্গীয় তলে অবস্থিত আণুবীক্ষণিক এক আয়তন কণ্টক সদৃশ্য অঙ্গ হল সিটি। সিটির এক প্রান্ত দেহ অভ্যন্তরস্ত থলির মধ্যে থাকে।

অ্যামিবার গমন ( Amoeboid movement )

প্রাণীর নাম - অ্যামিবা, গমন অঙ্গের নাম, গমন পদ্ধতির নাম, গমন পদ্ধতি - ক্ষনপদ হল অ্যামিবার কোষ পর্দা সমূহ দেহ প্রোটোপ্লাজমের অংশ বিশেষ যা নলাকারে প্রসারিত হয়। গমনের সময় ক্ষনপদ সামনের দিকে প্রসারিত হয় এবং কোনো কঠিন বস্তুর সঙ্গে ক্ষনপদটিকে দৃঢ় ভাবে আবদ্ধ করে।

ন্যাস্টিক চলন ( Nastic movement )

ন্যাস্টিক চলন - উদ্ভিদের স্থায়ী অঙ্গের চলন যখন উদ্দীপকের তীব্রতা বা ব্যাপ্তি অনুসারে হয় , তখন তাকে ন্যাস্টিক চলন বা ব্যাপ্তি চলন বলে। ন্যাস্টিক চলনের প্রকারভেদ , ফটোন্যাস্টি, থার্মোন্যাস্টি, নিকটিন্যাস্টি, কেমোন্যাস্টি, সিসমোন্যাস্টি।