WBCS Main Examination Paper I -2016 [Bengali Letter Writing, Drafting of Report, Precis Writing, Composition and Translation]

Submitted by avimanyu pramanik on Sat, 01/27/2018 - 16:43

BENGALI LETTER WRITING, DRAFTING OF REPORT, PRECIS WRITING, COMPOSITION AND TRANSLATION

Time Allowed — 3 Hours,  Full Marks—200

If the questions attempted are in excess of the prescribed number, only the questions attempted first up to the prescribed number shall be valued and the remaining ones ignored.

১। নিজের পরিচয় বিবৃত না করে নিম্নলিখিত যে কোন একটি বিষয়ে আপনার অভিমত কোন বাংলা দৈনিক পত্রিকার সম্পাদকের কাছে অনধিক ১৫০ শব্দের মধ্যে পত্রাকারে পেশ করুন : ৪০

(ক) ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে খরা : সরকারের ভূমিকা ।

(খ) ভারতের উন্নয়নের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় বাধা দুর্নীতি ।

(গ) ছাত্র আন্দোলন ও বৃহত্তর জনজীবনে তার প্রভাব ।  

  নিজের নাম ঠিকানার পরবর্তে X, Y, Z ইত্যাদি লিখুন ।

২। সুষ্ঠু-নগর পরিকল্পনার ক্ষেত্রে বেআইনি নির্মাণ অন্যতম প্রধান প্রতিবন্ধক- এর সপক্ষে সম্পাদকীয় প্রতিবেদন লিখুন । (২০০ শব্দের মধ্যে লিখতে হবে ) ৪০

৩। নিম্নলিখিত অংশের সারমর্ম লিখুন :  ৪০

   যতটুকু অত্যাবশ্যক কেবল তাহারি মধ্যে কারারুদ্ধ হইয়া থাকা মানব জীবনের ধর্ম নহে । আমরা কিয়ৎ পরিমাণে আবশ্যক শৃঙ্খলে বদ্ধ হইয়া থাকি এবং কিয়ৎ পরিমাণে স্বাধীন ।। আমাদের দেহ সাড়ে তিন হাতের মধ্যে বদ্ধ কিন্তু তাই বলিয়া ঠিক সেই সাড়ে তিন হাত পরিমাণের গৃহ নির্মাণ করিলে চলে না । স্বাধীন চলাফেরার জন্য অনেকখানি স্থান রাখা আবশ্যক । নতুবা আমাদের স্বাস্থ্য এবং আনন্দের ব্যাঘাত হয় । শিক্ষা সম্বন্ধেও এই কথা খাটে, অর্থাৎ যতটুকু কেবলমাত্র শিক্ষা অত্যাবশ্যক তাহারি মধ্যে শিশুদিগকে একান্ত নিবদ্ধ রাখিলে কখনই তাহাদের মন যথেষ্ট পরিমাণে বাড়িতে পারে না । অত্যাবশ্যক শিক্ষার সহিত স্বাধীন পাঠ না শিখাইলে ছেলে ভালো করিয়া মানুষ হইতে পারে না – বয়ঃপ্রাপ্ত হইলেও বুদ্ধিবৃত্তি সম্বন্ধে সে অনেক পরিমাণে বালক থাকিয়াই যায় ।

৪। নিম্নলিখিত অনুচ্ছেদটি পাঠ করে তা থেকে গৃহীত প্রশ্নগুলির উত্তর নিজের ভাষায় লিখুন । ৪০

কারও উঠোন চষে দেওয়া আমাদের ভাষায় চূড়ান্ত শাস্তি বলে গণ্য । কেন-না উঠোনে মানুষ সেই বৃহৎ সম্পদকে আপন করেছে, যেটাকে বলে ফাঁক । বাহিরে এই ফাঁক দুর্লভ নয়, কিন্তু সেই বাহিরের জিনিসকে ভিতরের করে আপনার করে না তুললে তাকে পেয়েও না পাওয়া হয় । উঠোনে ফাঁকটাকে মানুষ নিজের ঘরের জিনিস করে তোলে; ওইখানে সূর্যের আলো তার ঘরের আপনার আলো হয়ে দেখা দেয়, ওইখানে তার ঘরের ছেলে আকাশের চাঁদকে হাততালি দিয়ে ডাকে । কাজেই উঠোনকেও যদি বেকার না রেখে তাকে ফসলের ক্ষেত বানিয়ে তোলা যায়, তাহলে যে বিশ্ব মানুষের আপন ঘরে বিশ্ব, তারই বাসা ভেঙ্গে দেওয়া হয় ।

সত্যকার ধনী ও দরিদ্রের মধ্যে প্রভেদ এই যে, ধনী এই ফাঁকটাকে বড়ো করে রাখতে পারে । যে সমস্ত জিনিসপত্র দিয়ে ধনী আপনার ঘর বোঝাই করে তার দাম খুব বেশি, কিন্তু যে ফাঁকটা দিয়ে তার আঙ্গিনা হয় প্রশস্ত, তার বাগান হয় বিস্তীর্ণ সেইটেই হচ্ছে সবচেয়ে দামী । সদাগরের দোকান ঘর জিনিসপত্রে ঠাসা, সখানে ফাঁক রাখবার শক্তি তার নেই । দোকানে সদাগর কৃপণ, সেখানে লক্ষপতি হয়েও হয়েও সে দরিদ্র । কিন্তু সেই সদাগরের বাসের বাড়িতে ঘরগুলো লম্বায় চওড়ায় উঁচুতে সকল দিকেই প্রয়োজনকে ধিকার করে ফাঁকটাকেই বেশি আদর দিয়েছে, আর বাগানের তো কথাই নেই । এইখানেই সদাগর ধনী ।

শুধু কেবল জায়গার ফাঁকা নয়, সময়ের ফাঁকাও বহুমূল্য । ধনী তার অনেক টাকা দিয়ে এই অবকাশ কিনতে পায় । তার ঐশ্বর্যের প্রধান লক্ষণ এই যে, লম্বা লম্বা সময় সে ফেলে রাখতে পারে । হঠাৎ কেউ তার সময়ের উঠোন চষতে পারে না । আর একটা ফাঁকা, যেটা সবচেয়ে দামী, সেটা হচ্ছে মনের ফাঁকা । যা-কিছু নিয়ে মন চিন্তা করতে বাধ্য হয়, কিছুতেই ছাড় পায় না, তাকেই বলে দুশ্চিন্তা । গরিবের চিন্তা, হতভাগার চিন্তা মনকে একেবারে আঁকড়ে থাকে, অশ্বথ গাছের শিকড়গুলো ভাঙ্গা মন্দিরকে যেরকম আঁকড়ে ধরে । দুঃখ জিনিসটা আমাদের চৈতন্যের ফাঁক বুজিয়ে দেয় । শরীরের সুস্থ অবস্থা তাকেই বলে যেটা হচ্ছে শারীরচৈতন্যের ফাঁকা ময়দান । কিন্তু হোক দেখি বা্ঁ পায়ের কড়ে আঙ্গুলের গাঁটের প্রান্তে বাতের বেদনা, অমনি শারীরচৈতন্যের ফাঁকা বুজে যায়, সমস্ত চৈতন্য ব্যথায় ভরে ওঠে । মন যে ফাঁকা চায়, দুঃখে সেই ফাঁকা পায় না । স্থানের ফাঁকা না পেলে যেমন ভালো করে বাঁচা যায় না, তেমনি সময়ের ফাঁকা, চিন্তার ফাঁকা না পেলে মন বড়ো করে ভাবতে পারে না ; সত্য তার কাছে ছোটো হয়ে যায় । সেই ছোটো সত্য মিটমিটে আলোর মতো ভয়কে প্রশ্রয় দেয়, দৃষ্টিকে প্রতারণা করে এবং মানুষের ব্যবহারের ক্ষেত্রকে সংকীর্ণ করে রাখে ।

(১) উঠোন চষে দেওয়াকে শাস্তি বলে গণ্য করা হয়েছে কেন ?

(২) সত্যকার ধনী ও দরিদ্রের মধ্যে প্রভেদ কী ?

(৩) মনের ফাঁকা বলতে কী বোঝানো হয়েছে ?

(৪) মন বড়ো করে ভাবতে না পারলে কী হয় ?

৫। নিম্নোক্ত অনুচ্ছেদটির বঙ্গানুবাদ করুন । ৪০   

The wheels of fate will some day compel the English to give up their Indian Empire. But what kind of India will they leave behind, what stark misery ? When the stream of their two centuries’ administration runs dry at last, what a waste of mud and filth they will leave behind them . I  had at one time believed that the springs of civilization would issue out of the heart of Europe. But today when I am about to quit the world that faith has gone bankrupt altogether. Today I live in the hope that the Saviour is coining - that he will be born in our midst in this poverty-shamed hovel which is India. I shall wail to hear the divine message of civilization which he will bring with him, the supreme word of promise that he will speak unto man from this very eastern horizon to give faith and strength to all who hear. As I look around I see the crumbling ruins of a proud civilization strewn like a vast heap of futility. And yes I shall not commit the grievous sin of losing faith in Man.

***

Comments

Related Items