WBCS Main Examination Paper I -2015 [Bengali Letter Writing, Drafting of Report, Precis Writing, Composition and Translation]

Submitted by avimanyu pramanik on Mon, 01/29/2018 - 12:36

WBCS Main Examination  2015  Paper - I

BENGALI LETTER WRITING, DRAFTING OF REPORT, PRECIS WRITING, COMPOSITION AND TRANSLATION

Time Allowed — 3 Hours,  Full Marks—200

If the questions attempted are in excess of the prescribed number, only the questions attempted first up to the prescribed number shall be valued and the remaining ones ignored.

১। নিজের পরিচয় বিবৃত না করে নিম্নলিখিত যে কোন একটি বিষয়ে আপনার অভিমত কোনো বাংলা দৈনিক পত্রিকার সম্পাদকের কাছে অনধিক ১৫০ শব্দের মধ্যে পত্রাকারে বিবৃত করুন : ৪০

(ক) নির্মল প্রযুক্তি (গ্রিন টেকনলজি) ও ভারত ।

(খ) পরিবেশ পর্যটনে পশ্চিমবঙ্গের ভূমিকা ।

(গ) নারী নিগ্রহ ও নির্বিকার সমাজ । 

[নিজের নাম ঠিকানার পরবর্তে X, Y, Z ইত্যাদি লিখুন ।] 

 

২। সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং আজকের যুবসমাজকে অপরাধপ্রবণ করে তুলেছে এর সপক্ষে সম্পাদকীয় প্রতিবেদন লিখুন । ( ২০০ শব্দের মধ্যে লিখতে হবে ।)  ৪০

 

৩। নিম্নলিখিত অংশের সারমর্ম লিখুন :  ৪০

অনেকদিন থেকেই লিখে আসছি,জীবনের নানা পর্বের নানা অবস্থায় শুরু করেছি কাঁচা বয়সে- তখনও নিজেকে বুঝিনি । তাই আমার লেখার মধ্যে বাহুল্য এবং বর্জনীয় জিনিস ভুরি ভুরি আছে তাতে সন্দেহ নেই । এ সমস্ত আবর্জনা বাদ দিয়ে বাকি যা থাকে আশা করি তার মধ্যে এই ঘোষণাটি স্পষ্ট যে, —আমি ভালোবেসেছি এই জগৎকে, আমি প্রনাম করেছি এই মহৎকে, আমি কামনা করেছি মুক্তিকে, যে মুক্তি পরম পুরুষের কাছে আত্মনিবেদনে, আমি বিশ্বাস করেছি মানুষের সত্য মহামানবের মধ্যে যিনি সদা জনানাং হৃদয়ে সন্নিবিষ্ট । আমি আবাল্য অভ্যস্ত ঐকান্তিক সাহিত্যসাধনার গন্ডিকে অতিক্রম করে একদা সেই মহামানবের উদ্দেশ্যে যথাসাধ্য আমার কর্মের অর্ঘ্য, আমার ত্যাগের নৈবেদ্য আহরণ করেছি— তাতে বাইরের থেকে যদি বাধা পেয়ে থাকি অন্তরের থেকে পেয়েছি প্রাসাদ । আমি এসেছি এই ধরণীর মহাতীর্থে— এখানে সর্বদেশ সর্বজাতি ও সর্বকালের ইতিহাসের মহাকেন্দ্রে আছেন নরদেবতা— তাঁরই বেদীমূলে নিভৃতে বসে আমার অহংকার আমার ভেদবুদ্ধি স্খালম করবার দুঃসাধ্য চেষ্টায় আজও প্রবৃত্ত আছি ।

আমার যা কিছু অকিঞ্চিৎকর তাকে অতিক্রম করেও যদি আমার চরিত্রের অন্তরতম প্রকৃতি ও সাধনা লেখায় প্রকাশ পেয়ে থাকে, আনন্দ হয়ে থাকে, তবে তার পরিবর্তে আমি প্রীতি কামনা করে থাকি, আর কিছু নয় । এ কথা যেন জেনে যাই, অকৃত্রিম সৌহার্দ্য পেয়েছি, সেই তাঁদের কাছে যাঁরা আমার সমস্ত ত্রুটি সত্ত্বেও জেনেছে সমস্ত জীবন আমি কী চেয়েছি, কী পেয়েছি, কী দিয়েছি, আমার অপূর্ণ জীবন অসমাপ্ত সাধনার কি ইঙ্গিত আছে ।

মর্তলোকের শ্রেষ্ঠদান এই প্রীতি আমি পেয়েছি এ কথা প্রণামের সঙ্গে বলি । পেয়েছি পৃথিবীর অনেক বরণীয়দের হাত থেকে— তাদের কাছে কৃতজ্ঞতা নয়, আমার হৃদয় নিবেদন করে দিয়ে গেলাম । তাঁদের দক্ষিণ হাতের স্পর্শে বিরাট মানবেরই স্পর্ষ লেগেছে আমার ললাটে, আমার যা কিছু শ্রেষ্ঠ তা তাঁদের গ্রহণের যোগ্য হোক ।

 

৪। অনুচ্ছেদটি পাঠ করে তা থেকে গৃহিত  প্রশ্নগুলির উত্তর নিজের ভাষায় লিখুন  । ৪০

আমি যে ভবিষ্যৎ বঙ্গদেশের কল্পনা করি, তাতে বর্তমানের মজানদীর এবং শুষ্ক খালের খাতে প্রচুর জলপ্রবাহের অশ্রান্ত কলধ্বনি শোনা যাচ্ছে । তাদের বক্ষের ক্ষীরধারায় সমস্ত দেশ ফলে ফুলে শস্যে অপূর্ব শ্রী ধারণ করেছে । আমি যে ভবিষ্যতের কল্পনা করি, তাতে বাংলার প্রত্যেক পল্লীতে এবং প্রত্যেক জনপদে তার নিজস্ব নদী অথবা খাল আছে, যাদের সাহায্যে উদ্বৃত্ত বর্ষার জল অবাধে সাগর পথে প্রবাহিত হচ্ছে, বর্তমানের মত সে জল ম্যালেরিয়ার মশার সূতিকাগারের সৃষ্টি করছে না । আমি যে ভবিষ্যতের কল্পনা করি, তাতে প্রত্যেক গৃহস্থের বাড়ি গৃহশিল্পের আলপনার সুন্দর এক একটি নিদর্শন হয়ে বিরাজ করছে । বর্তমানের মতো গৃহসৌন্দর্য পিপাসুর মনে নিত্য সে নতুন যন্ত্রণার কারণ হচ্ছে না । আমি যে ভবিষ্যতের কল্পনা করি, তাতে প্রত্যেক গ্রামের নিজস্ব বাগান, নিজস্ব খেলার মাঠ, নিজস্ব পাঠাগার, নিজস্ব ক্লাব বা ইনস্টিটিউট আছে । আর গ্রামবাসীরা সেই সব প্রতিষ্ঠান পরস্পর সহযোগিতায় নিত্য নতুন আনন্দের সন্ধান পাচ্ছে । আমি যে ভবিষ্যতের কল্পনা করি, তাতে প্রশস্ত সুগঠিত রাজপথ দেশের প্রত্যেকটি গ্রামের সঙ্গে প্রত্যেকটি গ্রামকে, প্রত্যেকটি নগরের সঙ্গে প্রত্যেকটি নগরকে সুলগ্ন রেখেছে । আমি যে ভবিষ্যতের কল্পনা করি, তাতে বাংলার গৃহপালিত পশুপক্ষীর শ্রী এবং সৌন্দর্য বাংলার গৌরবের বিষয় হযে দাঁড়িয়েছে । আমি যে ভবিষ্যতের কল্পনা করি, তাঁর মাংসপেশিবহুল, সুঠাম, বলিষ্ঠ দেহ বাঙালি বৈদেশিকের বিস্ময় উৎপাদন করছে । আমি যে ভবিষ্যতের কল্পনা করি, তাতে বাঙালি নারীর স্বাস্থ্য এবং সৌন্দর্য বিশ্ববাসীর প্রশংসার বস্তু হয়ে দাঁড়িয়েছে । আমি যে ভবিষ্যতের কল্পনা করি, তাঁর বিদ্যানিকেতনগুলির স্থাপত্য-সৌন্দর্য, তাদের উদ্যানের শোভা, তাদের বেষ্টনীর মনোহারিত্ব মানুষের মনকে সৌন্দর্যের অপরূপ জগতের সন্ধান দিচ্ছে । আর সেই সব প্রতিষ্ঠানের আচার্য এবং ছাত্রদের পরস্পরের স্নেহ এবং প্রীতি নাগরিকদের আদর্শ হয়ে উঠেছে, তাদের সত্য-শ্রেয়ঃ-সুন্দরের সাধনা বিশ্বের অনুকরণীয় গৌরবের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে । আমি যে ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখছি, তাতে হিন্দু তার ধর্মের অন্তর্নিহিত সনাতন সত্যের সন্ধান পেয়েছে, মুসলমান তার ধর্মের অন্তর্নিহিত শাশ্বত সত্যের সন্ধান পেয়েছে, আর উভয়েই মর্মে মর্মে বুঝেছে যে, যেখানে সুন্দর সেখানে দ্বেষ-হিংসা নাই, যেখানে শ্রেয়ঃ সেখানে সংকীর্ণতা নাই, কার্পণ্য নাই, আলোকের পথে অন্তহীন একাগ্র অভিযানই সকলের ধর্ম হয়ে দাঁড়িয়েছে । আমি যে ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখি, তার সাহিত্য থেকে ফাঁক, আড়ম্বর আর ভাবের দৈন্য চিরতরে বিদায় গ্রহণ করেছে । সত্য-শ্রেয়ঃ-সুন্দরের নিত্য নতুন অনুভূতিতে সে সাহিত্য নিত্য নতুন পথ রচনা করেছে । সে সাহিত্যের দৃষ্টি সম্ভাবনাহীন অতীতের দিকে নয়, দৃষ্টি তার সম্ভাবনাপূর্ণ ভবিষ্যতের দিকে ।

(১) ধর্ম নিয়ে লেখকের ভাবনা কী ?

(২) সত্য শ্রেয়ঃ-সুন্দরের সাধনা নিয়ে কোন স্বপ্ন লেখক গৌরবের বিষয় হবে বলে মনে করেন ?

(৩) আদর্শ গ্রাম বাংলার কল্পনার রূপটি লিখুন ।

(৪) বাঙালি নারী পুরুষের কোন চেহারা লেখকের পছন্দ ? সাহিত্য নিয়ে তাঁর বক্তব্য কী  ?

 

৫। নিম্নলিখিত অনুচ্ছেদটি বঙ্গানুবাদ করুন । ৪০

We in India do not have to go abroad in search of the past and the distant. We have them in abundance. If we go to foreign countries it is in search of the present. That search is necessary, for isolation from it means backwardness and decay. The old barriers are breaking down and life becomes more international. We have to play our part in this coming internationalism and, for this purpose, to travel, meet others, learn from them and understand them. But a real internationalism is not something in the sir without roots or anchorage. It has to grow out of national cultures and can only flourish to-day on a basis of freedom and equality and true internationalism. We are citizens of no mean country and we are proud of the land of our birth, of our people, our culture and traditions. That pride should not be for a romanticised past to which we want to cling, nor should it encourage exclusivemess or a want of appreciation of other ways than ours. It must never allow us to forget our many weaknesses and failings or blunt our longing to be rid of them. We have a long way to go and much lee-way to make up before we can take our proper station with others in the van of human civilization and progress. And we have to hurry, for the time at our disposal is limited and the pace of the world grows ever swifter

***

Comments

Related Items