বহু বিকল্পীয় প্রশ্নোত্তর (M.C.Q) - বর্জ্য ব্যবস্থাপনা (Management of Waste)

Submitted by avimanyu pramanik on Tue, 06/08/2021 - 19:33

বহু বিকল্পীয় প্রশ্নোত্তর (M.C.Q) - বর্জ্য ব্যবস্থাপনা (Management of Waste)

মাধ্যমিকের নমুনা বিকল্পীয় প্রশ্নোত্তর :-

১. বর্জ্য ব্যবস্থাপনার পদ্ধতি গুলি হল—          [মাধ্যমিক-২০১৭]

    (ক) বর্জ্যের পুনর্ব্যবহার     (খ) বর্জ্যের পুনর্নবীকরণ      (গ) বর্জ্যের পরিমাণগত হ্রাস     (ঘ) সবগুলিই প্রযোজ্য

২. নিম্নলিখিত বর্জ্য পদার্থটি জৈব অভঙ্গুর বর্জ্য —      [মাধ্যমিক-২০১৮]

    (ক) প্লাস্টিক বর্জ্য     (খ) কৃত্রিম রবার বর্জ্য      (গ) অ্যালুমিনিয়াম পাত    (ঘ) সবকটিই প্রযোজ্য

৩. মানব শরীরে দূষিত জল থেকে সৃষ্টি হয়—            [মাধ্যমিক-২০১৯]

     (ক) আমাশয়     (খ) হাঁপানি     (গ) ফুসফুসের ক্যান্সার    (ঘ) দৃষ্টিহীনতা

মাধ্যমিকের সম্ভাব্য বিকল্পীয় প্রশ্নোত্তর :-

১. ক্ষতিকর বর্জ্য পদার্থ থেকে নির্গত দূষিত জলের প্রভাবে ভৌমজলের দূষণকে বলে—

    (ক) চিলেট     (খ) কম্পোস্টিং     (গ) লিচেট      (ঘ) ইউট্রোফিকেশন

২. ফ্লাই অ্যাশ ব্যবহার করা হয়—

    (ক) বাসন তৈরিতে     (খ) ইট তৈরিতে      (গ) কাগজ তৈরিতে      (ঘ) সার তৈরিতে

৩ দ্রুত প্রকৃতিতে মিশে যায়—

    (ক) গ্যাসীয় বর্জ্য      (খ) কঠিন বর্জ্য      (গ) তরল বর্জ্য      (ঘ) বিষহীন বর্জ্য

৪. গ্রামীণ শক্তির চাহিদা অনেকটা মেটায়—

    (ক) এলপিজি      (খ) কার্বন ডাই-অক্সাইড      (গ) গোবর গ্যাস      (ঘ) ইলেকট্রিক উনুন

৫. সংগৃহীত পৌর বর্জ্য শহর থেকে দূরে মাটিতে পুঁতে দেওয়ার পদ্ধতি হল —

    (ক) ল্যান্ডফিল      (খ) কম্পোস্টিং      (গ) নিষ্কাশন      (ঘ) স্ক্রাবার

৬. একটি চিকিৎসা সংক্রান্ত বর্জ্য হল—

     (ক) সবজির খোসা     (খ) সাবান ধোয়া জল     (গ) খাবারের প্যাকেট     (ঘ) ইনজেকশন সিরিঞ্জ

৭. জীবাণু দ্বারা বর্জ্যের বিয়োজন হল—

    (ক) কম্পোস্টিং     (খ) ল্যান্ডফিলিং      (গ) ওভারফিলিং      (ঘ) কম্পাউন্ডিং

৮. ধোঁয়া-ধুলোর মতো বর্জ্য নিষ্কাশনের ব্যবস্থাপনার নাম হল—

     (ক) ভরাটকরণ      (খ) নিষ্কাশন      (গ) কম্পোস্টিং      (ঘ) স্ক্রাবার

৯. তরল বর্জ্য শোধনের উপযুক্ত পদ্ধতি হল—

    (ক) ভরাটকরণ     (খ) কম্পোস্টিং      (গ) শক্তি উৎপাদন      (ঘ) নিষ্কাশন

১০. কলকারখানায় স্ক্রাবার যন্ত্রটি ব্যবহার করা হয়—

      (ক) জলদূষণ নিয়ন্ত্রণে     (খ) বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণে      (গ) শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে    (ঘ) মৃত্তিকাদূষণ নিয়ন্ত্রণে

১১. কৃষিজ বর্জ্যের একটি উৎস হল—

      (ক) পৌরসভা      (খ) শিল্পকেন্দ্র      (গ) কয়লাখনি      (ঘ) হর্টিকালচার

১২. ভাগিরথী-হুগলি নদীর দূষণের প্রধান কারণ—

      (ক) কৃষিজ বর্জ্য     (খ) শিল্পজাত বর্জ্য      (গ) গৃহস্থালির বর্জ্য     (ঘ) প্যাথলজিক্যাল বর্জ্য

১৩. 'কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা' আইন (Solid Waste Disposal) কত সালে শুরু হয় ?

      (ক) ১৯৬৫ সালে      (খ) ১৯৩৯ সালে     (গ) ২০১৬ সালে     (ঘ) ১৯৯৫ সালে

১৪. বাতাসে দ্রুত জীবাণু ছড়ায়—

      (ক) তেজস্ক্রিয় বর্জ্য     (খ) চিকিৎসা সংক্রান্ত বর্জ্য     (গ) জৈব বর্জ্য     (ঘ) গৃহস্থালির বর্জ্য ।

১৫. একটি বিষাক্ত বর্জ্য হল—

      (ক) সবজির খোসা     (খ) ডিমের খোলা      (গ) সিসা      (ঘ) খড়

১৬. স্ক্রাবার ব্যবহার করা হয়—

       (ক) জঞ্জাল সরানোর জন্য     (খ) জঞ্জাল বাছাইয়ের জন্য     (গ) শিল্পের বায়ুকে শোধনের জন্য      (ঘ) কোনোটিই নয়

১৭. একটি জৈব ভঙ্গুর বর্জ্য হল—

      (ক) কাঁচ     (খ) প্লাস্টিক     (গ) আর্সেনিক     (ঘ) ধানের তুষ

১৮. ল্যান্ডফিল থেকে উৎপন্ন গ্যাস হল—

       (ক) মিথেন      (খ) নাইট্রোজেন      (গ) অক্সিজেন      (ঘ) ক্লোরিন

১৯. ফ্লাই অ্যাশ উৎপন্ন হয়—

      (ক) তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে    (খ) জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে    (গ) বায়ুশক্তি কেন্দ্র থেকে     (ঘ) পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে

২০. সর্বাধিক বিষাক্ত বর্জ্য উৎপন্ন হয়—

      (ক) তেজস্ক্রিয় বর্জ্য থেকে      (খ) জৈব বর্জ্য থেকে     (গ) ফ্লাই অ্যাশ থেকে     (ঘ) জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে

২১. বর্জ্য সিসা দূষণে যে রোগ সৃষ্টি হয়—

      (ক) মিনামাটা      (খ) ডিসলেক্সিয়া       (গ) ইটাই ইটাই      (ঘ) ফ্লুরোসিস

২২. গ্যাসীয় বর্জ্য থেকে যে ধরনের রোগের সংক্রমণ হতে পারে, তার মধ্যে প্রধান হল—

      (ক) ফুসফুসের রোগ      (খ) এইডস      (গ) অ্যানিমিয়া      (ঘ) ক্যান্সার

২৩. বায়ুদূষণ হয়—

       (ক) গাড়ি ও কারখানা থেকে    (খ) কারখানা নির্গত জল থেকে     (গ) ঘরের বর্জ্য থেকে      (ঘ) তেজস্ক্রিয় বর্জ্য থেকে

২৪. ভারতের গ্রামাঞ্চলে কঠিন বর্জ্য যে পদ্ধতিতে নিয়ন্ত্রণ করা যায়, সেটি হল—

      (ক) কম্পোস্টিং করা     (খ) পুড়িয়ে ফেলা      (গ) উন্মুক্তভাবে সঞ্চয় করা      (ঘ) ম্যানিওর পিট তৈরি করা

২৫. কম্পোস্টিং পদ্ধতিতে নির্মিত হয়—

      (ক) শিল্পজাত পদার্থ      (খ) উচ্চফলনশীল বীজ      (গ) জৈব সার      (ঘ) রাসায়নিক সার

২৬. একটি চিকিৎসাজনিত বর্জ্য পদার্থ হল—

       (ক) ইঞ্জেকশন সিরিঞ্জ       (খ) খাবারের প্যাকেট      (গ) সাবান ধোয়া জল     (ঘ) সবজির খোসা

২৭. তেজস্ক্রিয় বর্জ্যের মূল উৎস—

      (ক) কয়লা      (খ) চা শিল্প     (গ) পারমাণবিক শিল্প      (ঘ) কাগজ শিল্প

২৮. একটি বিষহীন বর্জ্য পদার্থ হল— 

       (ক) শিল্পজাত বর্জ্য পদার্থ      (খ) বাজারের বর্জ্য পদার্থ     (গ) হাসপাতালের বর্জ্য পদার্থ    (ঘ) তেজস্ক্রিয় বর্জ্য পদার্থ

২৯. 'গঙ্গা অ্যাকশন প্ল্যান' পরিকল্পনাটি গৃহীত হয়—

       (ক) ১৯৮৬ সালে      (খ) ১৯৮৪ সালে      (গ) ১৯৮৭ সালে      (ঘ) ১৯৮৯ সালে

৩০. পুনর্ব্যবহার সম্ভব নয়—

       (ক) ধাতব বর্জ্য      (খ) প্লাস্টিকজাত বর্জ্য      (গ) কাঁচ     (ঘ) কৃষিজ বর্জ্য

৩১. বর্জ্যপদার্থের ব্যবস্থাপনায় একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি হল—

       (ক) বাসেল      (খ) কিয়োটো      (গ) মনট্রিল      (ঘ) লন্ডন চুক্তি

৩২. উত্তপ্ত সন্ধান প্রক্রিয়ার অপর নাম—

       (ক) ব্যাঙ্গালোর পদ্ধতি      (খ) নিকাশি     (গ) যান্ত্রিক পদ্ধতি      (ঘ) ল্যান্ডফিল

৩৩. গ্যাসীয় শিল্প বর্জ্যটি হল—

       (ক) CFC      (খ) ইউরিয়া      (গ) ডিমের খোসা      (ঘ) ক্যাডমিয়াম

৩৪. পরিবেশে যাবতীয় বর্জ্যের মধ্যে সর্বাধিক পরিমাণে দেখা যায়—

       (ক) পৌরসভার বর্জ্য     (খ) শিল্প বর্জ্য     (গ) গৃহস্থালির বর্জ্য     (ঘ) চিকিৎসা সংক্রান্ত বর্জ্য

৩৫. বিষাক্ত নয় এমন একটি বর্জ্য হল—

       (ক) পলিথিন      (খ) ধানের খোসা      (গ) কাচ      (ঘ) প্লাস্টিক

৩৬. 'নমামি গঙ্গে (Namami Gange) পরিকল্পনা হল—

       (ক) ব্রহ্মপুত্র নদের পরিকল্পনা

       (খ) গঙ্গাদূষণ নিয়ন্ত্রণ পরিকল্পনা

       (গ) গঙ্গা নদী জলবিভাজিকা পরিকল্পনা

       (ঘ) গঙ্গানদীর গভীরতা বৃদ্ধির পরিকল্পনা

৩৭. স্বচ্ছ ভারত অভিযান শুরু হয় ২রা অক্টোবর—

       (ক) ২০১২ সালে     (খ) ২০১৩ সালে      (গ) ২০১৪ সালে      (ঘ) ২০১৫ সালে

৩৮. প্রদত্ত বর্জ্যগুলির মধ্যে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিকর হল—

       (ক) প্লাস্টিক     (খ) কাঠ     (গ) ধাতু     (ঘ) কৃষিজাত বর্জ্য

৩৯. ইট ছাড়া ফ্লাই অ্যাশ আর যে কাজে ব্যবহার করা হয়, সেটি হল—

       (ক) চিনামাটির বাসন তৈরিতে     (খ) কারখানার চিমনি প্রস্তুতিতে      (গ) রাস্তা তৈরিতে      (ঘ) রান্নাঘরের বেসিন তৈরিতে

৪০. জৈব বর্জ্য থেকে যে গ্যাস পাওয়া যায়, তার নাম—

      (ক) ল্যান্ডফিল      (খ) এলপিজি      (গ) বায়োগ্যাস      (ঘ) দুর্গন্ধনাশক গ্যাস

৪১. ল্যান্ডফিল পদ্ধতিতে জৈব পদার্থের পচন হতে সময় লাগে—

      (ক) ১০-১৫ দিন      (খ) ৪-৬ মাস      (গ) ৬-৮ মাস      (ঘ) ১ বছর

৪২. প্রদত্ত কোনটি কঠিন বর্জ্যের অন্তর্গত নয় ?

      (ক) কৃষিক্ষেত্রের বর্জ্য      (খ) শিল্পজাত বর্জ্য      (গ) জঞ্জাল      (ঘ) প্রয়ঃপ্রণালীর বর্জ্য

৪৩. ভার্মি কম্পোস্ট সার তৈরিতে প্রধান ভূমিকা নেয়—

      (ক) সাপ     (খ) কেঁচো      (গ) ব্যাকটেরিয়া     (ঘ) ইঁদুর

৪৪. গৃহস্থালি বা শিল্পজাত বিষাক্ত বর্জ্যের নিয়ন্ত্রণের অধুনা কৌশল—

      (ক) র‍্যাগপিকার      (খ) ব্যাগাসি      (গ) সবুজ রসায়ন      (ঘ) কম্পোস্ট

৪৫. একটি পুনর্নবীকরণযোগ্য বর্জ্য হল—

      (ক) ব্যবহৃত সিরিঞ্জ      (খ) ফ্লাই অ্যাশ      (গ) আণবিক ভস্ম      (ঘ) অক্সাইড গ্যাস

৪৬. উচ্চ তাপমাত্রায় বর্জ্য পুড়িয়ে ফেলার যন্ত্র—

       (ক) স্ক্রাবার      (খ) ইনসিনেরেটর      (গ) ইলেকট্রোস্ট্যাটিক প্রেসিপিটেটর      (ঘ) ব্লাস্ট ফার্নেস

৪৭. 'Clean City' পরিকল্পনাটি পরিলক্ষিত হয়—

      (ক) কলকাতা শহরে     (খ) দিল্লি শহরে     (গ) মুম্বাই শহরে     (ঘ) গুজরাট শহরে

৪৮. শিল্পে নির্গত ধোঁয়া থেকে অম্ল দূর করা হয় কোন পদ্ধতিতে ?

       (ক) কম্পোস্টিং     (খ) নিষ্কাশন       (গ) শুষ্ক স্ক্রাবার      (ঘ) আর্দ্র স্ক্রাবার

৪৯. একটি কৃষিজাত বর্জ্য হল—

      (ক) গাছের কান্ড     (খ) খড়      (গ) কাচের বোতল      (ঘ) প্লাস্টিক পাত

৫০. একটি পৌর আবর্জনার উদাহরণ হল—

       (ক) অ্যালুমিনিয়াম টুকরো      (খ) গোবর     (গ) কঙ্কাল      (ঘ) তুষ

৫১. একটি পরিবেশমিত্র বর্জ্যের নাম—

      (ক) পাটের চট     (খ) সিসা      (গ) রবার      (ঘ) প্লাস্টিক

৫২. একটি অবিষাক্ত বর্জ্য হল—

       (ক) পুরোনো ফুল      (খ) কীটনাশক     (গ) পারদ     (ঘ) প্লাস্টিক

৫৩. বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সবচেয়ে বেশি গ্রহণযোগ্য উপায় হল—

       (ক) পুনর্নবীকরণ     (খ) ল্যান্ডফিল      (গ) বর্জ্য কম উৎপাদন করা      (ঘ) কম্পোস্ট সার তৈরি

৫৪. ভরাটকরণ প্রক্রিয়াটি যে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার অন্তর্গত তা হল—

      (ক) কঠিন      (খ) তরল      (গ) গ্যাসীয়      (ঘ) সবকটি ঠিক

৫৫. বায়োগ্যাস -এর প্রধান উপাদান হল—

      (ক) কার্বন ডাই অক্সাইড     (খ) অ্যামোনিয়া      (গ) ক্লোরিন      (ঘ) মিথেন

৫৬. প্রদত্ত যে উৎস থেকে বর্জ্য আসে না, তা হল—

       (ক) গৃহস্থালি      (খ) শিল্পকেন্দ্র      (গ) হাসপাতাল      (ঘ) সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্র

৫৭. ব্যবহারের অনুপযুক্ত বর্জ্য পদার্থকে পুনরায় ব্যবহারের উপযোগী করলে তাকে বলে—

      (ক) পরিমাণগত হ্রাস     (ক) পুনর্ব্যবহার কম্পোস্টিং      (গ) পুনর্নবীকরণ      (ঘ) পুনর্ব্যবহার

৫৮. জীববিশ্লেষ্য বর্জ্যগুলিকে ব্যাকটেরিয়ার দ্বারা বিশ্লেষণ করার পদ্ধতিকে বলে—

       (ক) ভরাটকরণ      (খ) স্ক্রাবার      (গ) কম্পোস্টিং      (ঘ) নিষ্কাশন

৫৯. পেস্টিসাইড হল—

      (ক) গৃহস্থালির বর্জ্য      (খ) জৈব বর্জ্য      (গ) কৃষি বর্জ্য      (ঘ) চিকিৎসা সংক্রান্ত বর্জ্য

৬০. ইউট্রোফিকেশন মূলত যে বর্জ্যের প্রভাবে হয়—

       (ক) চিকিৎসা বর্জ্য      (খ) তেজস্ক্রিয় বর্জ্য      (গ) শিল্প বর্জ্য      (ঘ) কৃষিজ বর্জ্য

৬১. তরল বর্জ্যের একটি উদাহরণ হল—

       (ক) ফয়েল      (খ) ফেনল      (গ) সালফার ডাই-অক্সাইড     (ঘ) প্লাস্টিক

৬২. কেঁচোর সাহায্যে মিশ্রসার তৈরির পদ্ধতিকে বলা হয়—

       (ক) ভার্মি কম্পোস্টিং     (খ) লিচেট     (গ) কম্পাউন্ডিং      (খ) কম্পোস্টিং

৬৩. অকেজো কম্পিউটার একটি—

       (ক) কঠিন বর্জ্য     (খ) ই-বর্জ্য      (গ) পৌরসভার বর্জ্য     (ঘ) এদের সবকটি

৬৪. ভরাটকরণ করতে যে বর্জ্যগুলি বেশি ব্যবহার করা হয়—

       (ক) জৈব ভঙ্গুর বর্জ্য      (খ) শিল্প বর্জ্য      (গ) কঠিন বর্জ্য      (ঘ) জৈব অভঙ্গুর বর্জ্য

৬৫. মানুষ ও প্রাণীর শ্বাসযন্ত্রের ক্ষতি করে—

       (ক) মৃত্তিকা দূষণ      (খ) জলদূষণ      (গ) বায়ুদূষণ       (ঘ) শব্দদূষণ
*******

Comments

Related Items

কাবেরী নদী (The Kaveri)

কাবেরী নদী (The Kaveri) : কর্ণাটক রাজ্যের তালাকাভেরি উচ্চভূমি থেকে উৎপন্ন হয়ে কাবেরী নদী কর্ণাটক ও তামিলনাড়ুর মধ্য দিয়ে পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়ে বঙ্গোপসাগরে মিলিত হয়েছে । কাবেরী নদীর দৈর্ঘ্য ৭৬৫ কিমি.

কৃষ্ণা নদী (The Krishna)

কৃষ্ণা নদী (The Krishna) : পশ্চিমঘাট পর্বতমালার মহাবালেশ্বরের শৃঙ্গের কিছুটা উত্তরে প্রায় ১৪০০ মিটার উচ্চতা থেকে উৎপন্ন হওয়ার পর কৃষ্ণা নদী দক্ষিণ-পূর্বে তেলেঙ্গানা ও অন্ধপ্রদেশ রাজ্যের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বিশাল বদ্বীপ সৃষ্টি করে

গোদাবরী নদী (The Godavari)

গোদাবরী নদী (The Godavari) : গোদাবরী নদী 'দক্ষিণ ভারতের গঙ্গা' নামে পরিচিত । মহারাষ্ট্রের ব্রম্ভগিরি পাহাড়ের ত্র্যম্বক শৃঙ্গ থেকে উৎপন্ন হয়ে এবং পরে পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়ে গোদাবরী নদী মহারাষ্ট্র, ছত্তিশগড়, তেলেঙ্গানা ও অন্ধ্রপ্রদেশ

মহানদী (The Mahanadi)

মহানদী (The Mahanadi) : ছত্তিসগড় রাজ্যের রায়পুর জেলার দক্ষিণাংশের সিয়াওয়া মালভূমি থেকে উৎপন্ন হয়ে পূর্বদিকে প্রবাহিত হয়ে মধ্যপ্রদেশ ও ওড়িশা রাজ্য অতিক্রম করার পর বদ্বীপ সৃষ্টি করে বঙ্গোপসাগরে মিলিত হয়েছে । মহানদী

তাপী নদী (The Tapti)

তাপী বা তাপ্তি নদী (The Tapti) : মধ্যপ্রদেশের মহাদেব পর্বতের মুলতাই উচ্চভূমির প্রায় ৭৭০ মিটার উচ্চতা থেকে উৎপন্ন হয়ে তাপী নদী মধ্যপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র ও গুজরাটের ওপর দিয়ে পশ্চিম দিকে প্রবাহিত হয়ে সাতপুরা ও অজন্তার মধ্যবর্তী সংকীর্ণ উপত