মাধ্যমিক প্রবন্ধ রচনা : বিষয় সমূহ ও রচনার নাম

Submitted by avimanyu pramanik on Fri, 03/11/2011 - 19:17

বিষয় সমূহ ও রচনার নাম

1     শিক্ষা ও ছাত্রজীবন  
  1.1   সাম্প্রদায়িকতা ও বিচ্ছিন্নতাবাদ প্রতিরোধ ছাত্রসমাজ   
  1.2   নিরক্ষরতা দূরীকরণ ও ছাত্রসমাজ  
  1.3   পরিবেশ উন্নয়নে ছাত্রছাত্রীদের ভূমিকা  
  1.4   বই মনুষের সর্বশেষ্ট্র সঙ্গী বা বন্ধু  
  1.5   চরিত্র গঠনে খেলাধূলার ভূমিকা  
  1.6   সমাজকল্যাণে ছাত্রছাত্রীদের ভূমিকা/ ছাত্রছাত্রীদের সামাজিক দায়িত্ব  
  1.7   কুসংস্কার প্রতিরোধে ছাত্রছাত্রীদের ভূমিকা   
  1.8   প্রতিবন্ধীদের প্রতি ছাত্রছাত্রীদের কর্তব্য  
  1.9   একটি উৎসবের স্মৃতি   
  1.10   একটি ভ্রমনের অভিজ্ঞতা  
  1.11   একটি ছুটির দিন  
  1.12   লেখাপড়ার অবসরে খেলা আর গল্পের বই  
  1.13   তোমার জীবনের লক্ষ্য  
  1.14   তোমার বিদ্যালয় জীবন  
  1.15   মাতৃ ভাষার মাধ্যমে শিক্ষা  
  1.16   মাধ্যমিক পরীক্ষর অবসরে গঠনমূলক কাজ  
  1.17   জীবনে সময়ানুবর্তিতার মূল্য  
2.     বিজ্ঞান  
  2.1  

বিজ্ঞান আশীবাদ না অভিশাপ

 
  2.2   প্রযুক্তির জয়যাত্রা  
  2.3   জনসাধারণের মধ্যে বিজ্ঞান-চেতনার প্রসার  
  2.4   মাতৃভাষায় বিজ্ঞান-চর্চা  
  2.5   বিজ্ঞান ও বিজ্ঞান মানসিকতা  
  2.6   দূরদর্শনের সুফল ও কুফল   
  2.7   কম্পিউটার  
  2.8   বিজ্ঞান ও কুসংস্কার  
  2.9   প্রাত্যহিক জীবনে বিদ্যুৎ  
  2.10   প্রতিদিনের জীবনে বিজ্ঞান  
3     পরিবেশ  
  3.1   অরন্য ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তা  
  3.2  

পরিবেশ দূষণ ও তার প্রতিকার

 
     

মহৎ জীবনকথা 

স্বাদেশিকতা

পশ্চিমবঙ্গ ও প্রকৃতি

সমসাময়িক প্রসঙ্গ

 
4    

জাতীয় শিশু দিবস

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

Comments

Related Items

ছাত্র জীবনে খেলাধূলার প্রয়োজনীয়তা

'ছাত্রানাং অধ্যয়নং তপঃ' । ছাত্রছাত্রীদের প্রধান কাজ হল পড়াশুনা করা । পড়াশুনাকে তপস্যার মতো করেই করা দরকার ।

বিশ্বের ত্রাস মহামারী করোনা

ভুমিকা:- একবিংশ শতাব্দীতে সভ্যতার শিখরে বাস করেও মানুষ ভয়ঙ্কর এক মহামারির মোকাবিলা করতে পারেনি । সেই মহামারি হল করোনা । ধনী বা দরিদ্র কোন দেশই করোনা নামক মহামারির কবল থেকে রেহাই পায়নি । করোনা এমনই এক রোগ যা অতি দ্রুত মানুষকে সংক্রমিত করে । এটা নতুন রো

পশ্চিমবঙ্গের পর্যটন শিল্প

"বিপুলা এ পৃথিবীর কতটুকু জানি । / দেশে দেশে কত-না নগর রাজধানী — / মানুষের কত কীর্তি, কত নদী গিরি সিন্ধু মরু, / কত-না অজানা জীব, কত-না অপরিচিত তরু / রয়ে গেল অগোচরে । বিশাল বিশ্বের আয়োজন ; / মন মোর জুড়ে থাকে অতি ক্ষুদ্র তারি এক কোণ ।" — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর

যুগে যুগে বাংলার বুকে যে সকল ক্ষণজন্মা মহাপুরুষ জন্মেছেন, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর তাঁদের মধ্যে অন্যতম । ঈশ্বরচন্দ্রের পাণ্ডিত্য, চারিত্রিক দৃঢ়তা, কর্মনিষ্ঠা, নির্ভীকতা, হৃদয়বত্তা মানবসমাজে এক জ্বলন্ত দৃষ্টান্ত । হিমালয়ের মতো বিশাল ও উন্নত মনের মানুষ ঈশ্বরচন্দ্র শুধুমাত্র বিদ্যাসাগর ছিলেন না, করুণার সিন্ধুও ছিলেন ।

রক্তদান — মানবকল্যাণের আর এক নাম

"দেহের একটু রক্ত দিলে যদি বাঁচে একটি প্রাণ, / ধন্য হবে জনন তোমার, মহৎ তোমার দান । "