গ্লোবাল ওয়ার্মিং: পৃথিবী যখন উষ্ণ গ্রিনহাউজ

গ্লোবাল ওয়ার্মিং

বিংশ শতাব্দীর শেষ দিকে ৭০ দশকের পর থেকে পৃথিবী নামের এ গ্রহের তাপমাত্রা সামান্য বাড়া শুরু করে। ফলে শুরু হয় গ্রিনল্যান্ড, মেরু ও হিমালয়ের বরফ গলন, ঘূর্ণিঝড় সহ প্রাকৃতিক দুর্যোগ বৃদ্ধি সহ বেশ কিছু ক্ষতিকর প্রভাব। বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, বর্তমানে পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা প্রায় ০.৬০ ডিগ্রি বেড়েছে এবং এ শতাব্দীর শেষ নাগাদ তাপমাত্রা আরো দুই ডিগ্রি বাড়তে পারে। বর্তমানে পৃথিবীর তাপমাত্রা সামান্য বাড়তেই যে প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে, এ শতাব্দীর শেষ নাগাদ দুই ডিগ্রি বাড়ার ফলে পৃথিবীর পরিস্থিতি কতোটা খারাপ হবে তা কারো পক্ষেই সম্পূর্ণ অনুমান করা সম্ভব হচ্ছে না।

সূর্য তাপের অধিকাংশই পৃথিবীতে প্রবেশ করে আবার পৃথিবী থেকে চলে যায়। এ প্রক্রিয়ায় বাধা দেয় গ্রিনহাউজ গ্যাস যেগুলো প্রধানত জীবাশ্ম জ্বালানি (যেমন পেট্রোল, ডিজেল, কয়লা, প্রাকৃতিক গ্যাস) পোড়ানোর ফলেই সৃষ্টি হয়। শীতপ্রধান দেশে কাঁচের গ্রিনহাউসের মধ্যে ঠিক একই প্রক্রিয়ায় তাপ বাড়িয়ে গাছপালা লাগানো হয়। ঠিক একইভাবে পৃথিবীর তাপ বেড়ে যাচ্ছে বলে একে গ্রিনহাউজ এফেক্ট বলা হয়। গ্রিনহাউজ এফেক্টের প্রভাবে বর্তমানে আমাদের বঙ্গোপসাগরে সাইক্লোনের মাত্রা বহুগুণে বেড়ে গেছে। কিছুদিন আগে আমেরিকার উপকূলে পর পর তিনটি সাইক্লোন আঘাত হেনেছে। কোথাও খুব বেশি বৃষ্টি হচ্ছে আবার কোথাও একেবারেই বৃষ্টি হচ্ছে না। এখন প্রতি দশকে ৯% করে মেরু বরফ গলছে বলে বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন।

 

 

 

বিস্তারিত পড়তে হলে নীচের লিঙ্ক টিতে ক্লক করুন।

http://prothom-aloblog.com/users/base/duranto/95

http://biggani.com/content/view/598/116/

http://www.somewhereinblog.net/blog/munshiyana/29071881

http://mukto-mona.com/banga_blog/?p=1751