WB Class X

WBBSE class X study related contents

দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানা

দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানা [DSP] : দ্বিতীয় পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনাকালে ইস্পাত শিল্পের উন্নতি ঘটানোর জন্য ইস্কন নামে একটি ব্রিটিশ কোম্পানির সাহায্যে কেন্দ্রীয় সরকারের উদ্যোগে পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার দামোদর নদের তীরে দুর্গাপুরে ইস্পাত এই কারখানাটি প্রতিষ্ঠা করা হয় । ২০০২ সালে এই কারখানাটির উৎপাদন ক্ষমতা ছিল ১৮ লক্ষ মেট্রিক টন । শীঘ্রই এই কারখানাটির আধুনিকীকরণের মাধ্যমে উৎপাদন ক্ষমতা বাড়িয়ে ২৬ লক্ষ টনে পরিণত করা হয়েছে । ২০০১ সালে দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানাতে ১৪ লক্ষ ৩৩ হাজার টন ইস্পাত পিণ্ড উৎপাদিত হয়, এর মধ্যে “বিক্রয়যোগ্য” ইস্পাতের পরিমাণ ছিল ১৩

বিশ্বেশ্বরায়া আয়রন অ্যান্ড স্টিল লিমিটেড

বিশ্বেশ্বরায়া আয়রন অ্যান্ড স্টিল লিমিটেড [Visvesvaraya Iron and Steel Plant] : ১৯১৮ খ্রিস্টাব্দে তৎকালীন মহীশুর সরকারের তত্ত্বাবধানে কর্ণাটকের ভদ্রাবতীতে Mysore Iron and Steel Limited নামে একটি লৌহ ইস্পাত কারখান প্রতিষ্ঠিত হয় । ১৯২৩ খ্রিস্টাব্দে কারখানাটিতে প্রথম উৎপাদন শুরু হয় । ১৯৭৫ সালে এই কারখানাটি বিশ্বেশ্বরায়া আয়রন অ্যান্ড স্টিল লিমিটেড নামে নতুন নামকরণ হয় । ১৯৮৯ সালে স্টীল অথোরিটি অফ ইন্ডিয়া এই কারখানাটিকে Subsidiary Unit হিসাবে অধিগ্রহণ করে ।  Visvesvaraya Iron and Steel limited ১৯৯৮ সালে Steel Authority of India -এর সাথে সংযু

ইন্ডিয়ান আয়রন অ্যান্ড স্টিল কোম্পানি

ইন্ডিয়ান আয়রন অ্যান্ড স্টিল কোম্পানি (IISCO) (কুলটি ও বার্নপুর) :- ১৯১৮ খ্রিস্টাব্দে পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার বার্ণপুরে স্টিল অথোরিটি অফ ইন্ডিয়া এই কারখানাটি প্রতিষ্ঠিত করে  ।  ইস্কো-র কারখানা দুটির উৎপাদন ক্ষমতা প্রায় ১০ লক্ষ টন ইস্পাত পিণ্ড । ২০০১-২০০২ সালে এই দুটি কারখানায় ৩ লক্ষ ১১ হাজার টন ইস্পাত পিণ্ড উৎপাদিত হয় ।

এই কারখানাটির অনুকুলে ভৌগোলিক অবস্থান:-

(১) নিকটবর্তী রাণীগঞ্জ কয়লা খনি অঞ্চলের কয়লা,

(২) সিংভুম ও ময়ূরভঞ্জ খনির আকরিক লোহা,

টাটা আয়রন এন্ড স্টিল কোম্পানি

টাটা আয়রন এন্ড স্টিল কোম্পানি লিমিটেড  (TISCO) :-  ১৯০৮ খ্রিষ্টাব্দে জামসেদজি টাটার পরিকল্পনায় বর্তমান ঝাড়খন্ড রাজ্যের জামসেদপুরের সাকচিতে এই লৌহ-ইস্পাত কারখানার প্রতিষ্ঠা হয় । বর্তমানে এই লৌহ-ইস্পাত কারখানাটির নাম টাটা স্টীল লিমিটেড [Tata Steel Limited] নাম পরিচিত । এখানে ১৯১২ খ্রিষ্টাব্দে প্রথম ইস্পাত উৎপাদন শুরু হয় । বর্তমানে এই কারখানাটিই হল ভারতের সর্বশ্রেষ্ঠ বেসরকারি লৌহ-ইস্পাত কারখানা । প্রায় ৩৮ লক্ষ মেট্রিক টন উৎপাদন ক্ষমতা বিশিষ্ট এই বেসরকারি ইস্পাত কারখানাটিতে ২০০১-২০০২ সালে প্রায় ৩৭ লক্ষ ৪৯ হাজার মেট্রিক টন উচ্চ শ্

বিশাখাপত্তনম ইস্পাত কারখানা

বিশাখাপত্তনম ইস্পাত কারখানা [Visakhapatnam steel plant] : বিশাখাপত্তনম ইস্পাত কারখানা হল দাক্ষিণাত্যের প্রথম বৃহদায়তন লৌহ-ইস্পাত কারখানা । এটি ভাইজাক স্টীল [Vizag Steel] নামে সমধিক পরিচিত । জার্মান ও সোভিয়েত রাশিয়ার প্রযুক্তি সহায়তায় বার্ষিক উৎপাদন ক্ষমতা প্রায় ৩৫ লক্ষ টন ইস্পাত পিন্ড লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা কালে (১৯৯০ সাল থেকে ১৯৯৫ সাল পর্যন্ত ) ১৯৯২ সালে বিশাখাপত্তনম লৌহ-ইস্পাত কারখানাটি উৎপাদন শুরু করে । চতুর্থ পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা কালে (১৯৬৯ সাল থেকে ১৯৭৪ সাল পর্যন্ত) অন্ধ্রপ্রদেশের বিশাখাপত্তনমে এই ইস্পাত

লৌহ-ইস্পাত শিল্পের কেন্দ্রীভবনের কারণ

ভারতে লৌহ-ইস্পাত শিল্প প্রধানত পূর্ব ও মধ্য ভারতে কেন্দ্রীভূত হয়েছে । বর্তমানে ভারতে আটটি বৃহদায়তন লৌহ ইস্পাত কারখানা আছে — (১) ভিলাই,  (২) দুর্গাপুর,   (৩) বোকারো,   (৪) রাউরকেল্লা,  (৫) জামসেদপুর (TISCO), (৬) কুলটি ও বার্ণপুর (IISCO),  (৭) ভদ্রাবতী এবং (৮) বিশাখাপত্তনম ইস্পাত কারখানা । এদের কোনটিও কয়লাখনির কাছে অবস্থিত, যেমন— কুলটি ও বার্নপুর, দুর্গাপুর এবং বোকারো । আবার কোনটি লৌহ খনির কাছে অবস্থিত, যেমন— ভিলাই ও রাউরকেল্লা ।  কোনটি কয়লা এবং লৌহ খনির মধ্যবর্তী অঞ্চলে অবস্থিত, যেমন— জামসেদপুর । এর মধ্যে ছটি লৌহ ইস্পাত কারখানাই পূর্ব ও মধ