WB Class X

WBBSE class X study related contents

দক্ষিণের মালভূমি অঞ্চল

দক্ষিণের মালভূমি অঞ্চল :- এশিয়ার মধ্যভাগের বিশাল পার্বত্য অঞ্চলের দক্ষিণে এবং এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণ অংশের তিনটি উপদ্বীপে তিনটি ক্ষয়প্রাপ্ত ও অতি প্রাচীন নীচু মালভূমি অবস্থান করছে, —(১) আরব মালভূমি, (২) দাক্ষিণাত্য মালভূমি এবং (৩) ইন্দোচীন মালভূমি । এই তিনটি মালভূমিই পশ্চিম দিক থেকে পূর্বদিকে ক্রমশ ঢালু হয়ে গিয়েছে ।

মধ্যভাগের বিশাল পার্বত্য অঞ্চল

মধ্যভাগের বিশাল পার্বত্য অঞ্চল :- এশিয়া মহাদেশের মধ্যভাগে আছে পৃথিবীর দীর্ঘতম, বৃহত্তম ও উচ্চ পার্বত্যভূমি । পশ্চিমদিকে ভূমধ্যসাগরের তীর থেকে পূর্বদিকে প্রশান্ত মহাসাগরের উপকূল ভাগ পর্যন্ত বিস্তৃত এই পার্বত্য অঞ্চলে অনেক সুউচ্চ পর্বতশ্রেণি বিভিন্ন দিকে প্রসারিত হয়েছে । এইসব পর্বতশ্রেণি প্রধানত  (১) পামীর গ্রন্থি ও (২) আর্মেনীয় গ্রন্থি নামে দুটি পর্বত গ্রন্থি থেকে বেরিয়েছে ।

উত্তরের বিস্তীর্ণ নিম্নসমভূমি অঞ্চল

উত্তরের বিস্তীর্ণ নিম্নসমভূমি অঞ্চল :- এই বিস্তীর্ণ নিম্ন সমভূমি অঞ্চলকে দুটি প্রধান ভুপ্রাকৃতিক উপবিভাগে ভাগ করা যায় — (ক) সাইবেরিয়ার নিম্ন সমভূমি এবং (খ) তুরাণের নিম্ন সমভূমি ।

ভারতের পেট্রোকেমিক্যাল শিল্প

পেট্রোকেমিক্যাল শিল্প :-যে শিল্প অশোধিত খনিজ তেল বা পেট্রোলিয়ামের বিভিন্ন উপজাত দ্রব্য থেকে প্লাস্টিক, পলিথিন, কৃত্রিম সুতো, কৃত্রিম রবার, রং প্রভৃতি নানা ধরনের জিনিস উৎপাদন করা হয় তাকে পেট্রোকেমিক্যাল শিল্প বলে ।

ভারতের ইঞ্জিনিয়ারিং শিল্প

ইঞ্জিনিয়ারিং শিল্প বলতে বিদ্যুৎ, কৃষি ও শিল্পে ব্যবহৃত ছোট-বড়ো ও হালকা ও ভারী যন্ত্রপাতি ও যন্ত্রাংশ থেকে শুরু করে পরিবহণের যানবাহনসহ সমস্ত শিল্পকে বোঝায় । বিভিন্ন ধরনের সূক্ষ্ম ও ভারী যন্ত্রপাতি, রেল ইঞ্জিন ও ওয়াগন, জাহাজ, মোটরগাড়ি, মোটর সাইকেল ও স্কুটার, সাইকেল, ঘড়ি, পাখা প্রভৃতি ইঞ্জিনিয়ারিং শিল্পের উদাহরণ ।   

যানবাহন শিল্প:  যানবাহন নির্মাণ শিল্প চার ভাগে বিভক্ত, যেমন, (ক) রেল ইঞ্জিন ও রেল বগি নির্মাণ শিল্প, (খ) মোটর গাড়ি নির্মাণ শিল্প, (গ) বিমানপোত (এরোপ্লেন) শিল্প এবং (ঘ) জাহাজ নির্মাণ শিল্প ।

লৌহ-ইস্পাত শিল্পের সমস্যা ও সম্ভবনা

ভারতীয় লৌহ ইস্পাত শিল্পের সমস্যা :-  ভারতের লৌহ ইস্পাত কারখানাগুলি প্রথম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা কালে স্থাপিত না হওয়ায় প্রচুর আর্থিক ক্ষতি ও বৈদেশিক মুদ্রার অপচয় হয়েছে । (১) পূর্ণ মাত্রায় উৎপাদন ক্ষমতা ব্যবহারের অভাব ; (২) কাঁচামালের মুল্যবৃদ্ধি ; (৩) ইস্পাত উৎপাদনের পুরোনো ও বাতিল হয়ে যাওয়া প্রযুক্তি ;  (৪) অত্যধিক সরকারি নিয়ন্ত্রণ ও ত্রুটিপূর্ণ সরকারি পরিকল্পনা ; (৫) লোহা, কয়লা, চুনাপাথর, ম্যাঙ্গানিজ প্রভৃতি কাঁচামালের কেন্দ্রীভূত অবস্থান; (৬) দক্ষ শ্রমিকের অভাব, (৭) উৎকৃষ্ট কোক কয়লার অভাব; (৮) তাপসহনক্ষম ইটের অভাব; (৯) পরিবহণের অসুবিধা; (১০) মেরামতির সাজ সরঞ্জামে