WB Class X

WBBSE class X study related contents

এশিয়ার উত্তর বাহিনী নদীগুলির গতিপথ

এশিয়ার উত্তর বাহিনী নদীগুলির গতিপথ :- এশিয়া মহাদেশের মধ্যভাগের সুবিস্তীর্ণ ও সুউচ্চ পার্বত্য অঞ্চল থেকে অনেক নদী উৎপন্ন হয়েছে । এদের মধ্যে কয়েকটি নদী ভূমির ঢাল অনুসরণ করে উত্তর দিকে সাইবেরিয়া সমভূমির উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে উত্তর সাগরে পড়েছে, এশিয়া মহাদেশের এইসব উত্তরবাহিনী নদীগুলির মধ্যে ওব, লেনাইনিসি উল্লেখযোগ্য । এশিয়ার উত্তর বাহিনী নদীগুলো সাধারণত বন্যাপ্রবণ । এই নদীগুলোর মোহানা হিমমণ্ডলে অবস্থিত হওয়ার জন্য প্রায় সারাবছরই বরফে ঢাকা থাকে । তাই সমুদ্রে প্রবাহিত হওয়ার মূল পথ অবরুদ্ধ হওয়ার জন্য এইসব নদীগুলির নিম্ন ও মধ্য উপত্যকায় প্রায়ই বন্যা হয়&nbsp

এশিয়া মহাদেশের দ্বীপপুঞ্জ

দ্বীপপুঞ্জ :- এশিয়া মহাদেশের চারিদিকে পর্বত ও আগ্নেয়গিরিপূর্ণ ছোটো বড় বহু দ্বীপ এবং দ্বীপপুঞ্জ আছে, এগুলির মধ্যে বেশির ভাগ মহাদেশীয় দ্বীপ এবং কয়েকটি পর্বতময় দ্বীপ । বেশির ভাগ পর্বতময় দ্বীপই আসলে এশিয়ার সমুদ্রে নিমজ্জিত পর্বতের শীর্ষদেশ । এশিয়ার বেশির ভাগ দ্বীপ ও দ্বীপপুঞ্জই প্রশান্ত মহাসাগর ও ভারত মহাসাগরে অবস্থিত। অবস্থানগত ভাবে এই সমস্ত দ্বীপগুলিকে চারভাগে ভাগ করা যায়, যেমন— (ক) এশিয়া মহাদেশের পূর্বদিকে অবস্থিত দ্বীপ ও দ্বীপপুঞ্জ, (খ) এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণ-পূর্বদিকে দ্বীপ ও দ্বীপপুঞ্জ, (গ) এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণ দিকে অবস্থিত দ্বীপ ও দ্বীপপুঞ্জ এবং (ঘ) এশিয়া মহাদেশের উত্তরে অবস্থিত দ্

নদী অববাহিকার সমভূমি অঞ্চল

নদী অববাহিকার সমভূমি অঞ্চল :- এশিয়ার মধ্যভাগের বিভিন্ন উঁচু ভঙ্গিল পর্বতশ্রেণি থেকে যেসব নদনদী উৎপন্ন হয়েছে তাদের পলি দিয়ে দক্ষিণ ও পূর্ব এশিয়ায় নিম্ন সমভূমির সৃষ্টি হয়েছে । পলি গঠিত বলে এই সমভূমি অত্যন্ত উর্বর । এইসব সমভূমিগুলোর মধ্যে দক্ষিণ ও পূর্ব এশিয়ার সমভূমিতে পৃথিবীর প্রায় অর্ধেক লোক বাস করে । এই সমভূমিগুলোতেই সুপ্রাচীন নদী কেন্দ্রিক সভ্যতা গড়ে উঠেছিল । এই সমস্ত নদী অববাহিকার বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য নিম্ন সমভূমি অঞ্চলগুলিকে কয়েকটি ভাগে ভাগ করা যায়, যেমন —  (১) গঙ্গা ও ব্রহ্মপুত্র উপত্যকার সমভূমি, (২) সিন্ধু উপত্যকার সমভূমি, (৩) টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস নদীর উপত্যকার সমভূমি এবং (৪) চিন

দক্ষিণের মালভূমি অঞ্চল

দক্ষিণের মালভূমি অঞ্চল :- এশিয়ার মধ্যভাগের বিশাল পার্বত্য অঞ্চলের দক্ষিণে এবং এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণ অংশের তিনটি উপদ্বীপে তিনটি ক্ষয়প্রাপ্ত ও অতি প্রাচীন নীচু মালভূমি অবস্থান করছে, —(১) আরব মালভূমি, (২) দাক্ষিণাত্য মালভূমি এবং (৩) ইন্দোচীন মালভূমি । এই তিনটি মালভূমিই পশ্চিম দিক থেকে পূর্বদিকে ক্রমশ ঢালু হয়ে গিয়েছে ।

মধ্যভাগের বিশাল পার্বত্য অঞ্চল

মধ্যভাগের বিশাল পার্বত্য অঞ্চল :- এশিয়া মহাদেশের মধ্যভাগে আছে পৃথিবীর দীর্ঘতম, বৃহত্তম ও উচ্চ পার্বত্যভূমি । পশ্চিমদিকে ভূমধ্যসাগরের তীর থেকে পূর্বদিকে প্রশান্ত মহাসাগরের উপকূল ভাগ পর্যন্ত বিস্তৃত এই পার্বত্য অঞ্চলে অনেক সুউচ্চ পর্বতশ্রেণি বিভিন্ন দিকে প্রসারিত হয়েছে । এইসব পর্বতশ্রেণি প্রধানত  (১) পামীর গ্রন্থি ও (২) আর্মেনীয় গ্রন্থি নামে দুটি পর্বত গ্রন্থি থেকে বেরিয়েছে ।

উত্তরের বিস্তীর্ণ নিম্নসমভূমি অঞ্চল

উত্তরের বিস্তীর্ণ নিম্নসমভূমি অঞ্চল :- এই বিস্তীর্ণ নিম্ন সমভূমি অঞ্চলকে দুটি প্রধান ভুপ্রাকৃতিক উপবিভাগে ভাগ করা যায় — (ক) সাইবেরিয়ার নিম্ন সমভূমি এবং (খ) তুরাণের নিম্ন সমভূমি ।