WB Class IX

ঔরঙ্গজেবের রাজত্বকাল

ঔরঙ্গজেবের রাজত্বকাল [The Reign of Aurangzeb] (১৬৫৮- ১৭০৭) :- এক নাটকীয় ভ্রাতৃবিরোধ ও রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের পর ঔরঙ্গজেব দিল্লীর সিংহাসনে আরোহণ করেন । ঔরঙ্গজেবের আমলে মুঘল সাম্রাজ্যের চরম বিস্তৃতি ঘটে । আবার তাঁর সময় থেকেই মুঘল সাম্রাজ্যের পতন প্রক্রিয়াও সূচিত হয় । তাঁর সময়ে রাজ্য জয়ের সুযোগ অনেকাংশে হ্রাস পেয়েছিল । আসলে রাজ্যজয় অপেক্ষা হৃত রাজ্য ও গৌরব পুনরুদ্ধার করাই ছিল অনেক বেশি জরুরি । শাহজাহানের রাজত্বের শেষ দিকে উত্তরাধিকার যুদ্ধের সময় থেকেই মুঘল সাম্রাজ্যের ভিত কিছুটা দুর্বল হয়ে গিয়েছিল । যাই হোক, যোগ্যতা ও দক্ষতার সঙ্গেই ঔরঙ্গজেব এই কাজ করতে সক্ষম হন । বিকানির ও

শাহজাহানের রাজত্বকাল

শাহজাহানের রাজত্বকাল [The Reign of Shahjahan]:- (১৬২৮-৫৮) :- পরবর্তী মুঘল সম্রাট জাহাঙ্গিরের পুত্র শাহজাহানের আমলে মুঘল সাম্রাজ্যবাদী নীতি অব্যাহত ছিল। তাঁর সবচেয়ে বড় কৃতিত্ব হল দাক্ষিণাত্য বিজয় । পিতা ও পিতামহের অসম্পূর্ণ কাজ তিনি সম্পূর্ণ করেন । সুন্নি মতাবলম্বী ও শাহজাহানের কাছে শিয়া মতাবলম্বী দাক্ষিণাত্যের রাজ্যগুলির অস্তিত্ব অসহনীয় ছিল । তাঁর আমলে আহমদ নগরের স্বাধীনতা বিলুপ্ত হয় (১৬৩৩) । এরপর তিনি বিজাপুর ও গোলকুণ্ডা মুঘল সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত করেন । বিজাপুরের আদিল শাহি বংশের আদিল শাহ ও গোলকুণ্ডার কুতুব শাহি বংশের আবদুল্লাহ কুতুব শাহ তাঁর বশ্যতা স্বীকার করে (১৬৩৬) । শাহজাহানের

জাহাঙ্গীরের রাজত্বকাল

জাহাঙ্গীরের রাজত্বকাল [The Reign of Jahangir] (১৬০৫-২৭) আকবর তাঁর বিজ্ঞতা, বিচক্ষণতা, উদারতা ও দূরদর্শিতায় মুঘল সাম্রাজ্যকে যে গৌরব শীর্ষে উন্নীত করে যান, পরবর্তী কালে তার উত্তরাধিকারী জাহাঙ্গিরের আমলে তা মোটের উপর অক্ষুণ্ণ ছিল । অবশ্য পরবর্তী যুগের কিছু দুর্বলতা ও সমস্যার বীজ এই সময়েই অনুসন্ধান করা সম্ভব । আকবরের গগনচুম্বী ব্যক্তিত্বের কাছে জাহাঙ্গীরের ব্যক্তিত্ব অনেকাংশে ম্লান । তাঁর প্রধান সমস্যা ছিল আকবরের সাম্রাজ্যের অস্তিত্ব রক্ষা করা এবং তাঁর প্রবর্তিত শাসন ব্যবস্থা অক্ষুণ্ণ রাখা । এই দায়িত্ব জাহাঙ্গীর কতটুকু যোগ্যতার সাথে পালন করেছিলেন শুধু সেটুকু বিচার্য । আকবরের মতো বহুমুখী, সৃজন

আকবরের রাজত্ব কাল

আকবরের রাজত্ব কাল [The Age of AKbar] (১৫৫৬-১৬০৫):- এক চরম সংকটজনক মুহূর্তে আকবর ১৫৫৬ খ্রীষ্টাব্দে সিংহাসনে আরোহণ করেন । তখন তাঁর সবচেয়ে বড় সমস্যা ছিল হিমুকে দমন করা ।  হিমু ছিলেন চুনার থেকে বাংলা সীমান্ত পর্যন্ত তামাম এলাকার শাসক আদিল শাহের উজির । হিমু আগ্রা অধিকার করে দিল্লির অভিমুখে রওনা হন । এই অবস্থায় আকবরের অভিভাবক বৈরম খান হিমুকে বাঁধা দেওয়ার চেষ্টা করলে পানিপথের দ্বিতীয় যুদ্ধে হিমু পরাজিত হন । এর ফলে মুঘল সাম্রাজ্যের পুনঃপ্রতিষ্ঠার কাজ সম্পূর্ণ হয় । অন্যদিকে দিল্লিতে আফগানি সাম্রাজ্যের পুনরাধিকারের প্রচেষ্টা সম্পূর্ণরূপে ব্যর্থ হয় । অতঃপর আ