Physical Science

কয়েকটি জারক ও বিজারক পদার্থ

কয়েকটি জারক পদার্থ:- (i) ম্যাঙ্গানিজ ডাইঅক্সাইড (i) নাইট্রিক অ্যাসিড (i) অক্সিজেন (ii) পটাশিয়াম পারম্যাঙ্গানেট (ii) গাঢ় সালফিউরিক অ্যাসিড (ii) ওজোন (iii) পটাশিয়াম ডাই-ক্রোমেট (iii) হাইড্রোজেন পারক্সাইড (iii) ফ্লুওরিন (iv) রেড লেড (iv) তরল ব্রোমিন (iv) ক্লোরিন

সমযোজী যৌগগুলির বৈশিষ্ট্য

সমযোজী যৌগগুলির বৈশিষ্ট্য:-

[i] ভৌত অবস্থা:- সাধারণ তাপমাত্রায় বেশির ভাগ সমযোজী যৌগ সাধারণত তরল কিংবা গ্যাসীয় অবস্থায় থাকে কিন্তু বেশি আণবিক গুরুত্ববিশিষ্ট সমযোজী মৌল বা যৌগগুলি কঠিন বা তরল হয় ।

[ii] স্থায়িত্ব:- সমযোজী যৌগে সমযোজী বন্ধন দৃঢ় প্রকৃতির, তার ফলে অণুগুলি স্থায়ী হয় ।

ইলেক্ট্রনীয় যোজ্যতা বা তড়িৎ-যোজ্যতা

ইলেক্ট্রনীয় যোজ্যতা বা তড়িৎ-যোজ্যতা মতবাদ [Electro-valency]:-

সাধারণ অবস্থায় পরমাণুর মধ্যে ইলেকট্রন এবং প্রোটন সংখ্যা সমান হওয়ার জন্য পরমাণু নিস্তড়িৎ হয় । সাধারণ নিয়মে পরমাণুর সংযোগ হওয়ার সময় ধাতুর পরমাণু ইলেকট্রন বর্জন এবং অধাতুর পরমাণু ইলেকট্রন গ্রহণ করে । ফলে কোনো পরমাণু ইলেকট্রন বর্জন করে ধনাত্মক আয়নে পরিণত হয় আবার কোনো পরমাণু ইলেকট্রন গ্রহণ করে ঋণাত্মক আয়নে পরিণত হয় । এখন বিপরীতভাবে তড়িৎ-গ্রস্থ আয়নগুলি কুলম্বীয় আকর্ষণ বলের দ্বারা যৌগিক অণুর সৃষ্টি করে ।

সমযোজ্যতা [Covalent]

সমযোজ্যতা: অনেকক্ষেত্রে দুটি পরমাণু সংযোগের সময় প্রত্যেক পরমাণুর সবচেয়ে বাইরের কক্ষ থেকে একটি করে ইলেকট্রন এসে ইলেকট্রন জোড় সৃষ্টি করে । এই রকম এক বা একাধিক ইলেকট্রন জোড় উভয় পরমাণুর মধ্যে সাধারণভাবে থেকে যৌগ গঠন করে । এই ধরনের যৌগ তৈরি হওয়ার ক্ষমতাকে সমযোজ্যতা বলে ।

রাসায়নিক বন্ধন

রাসায়নিক বন্ধনী [Chemical bonding]:-

দুই বা ততোধিক মৌলের রাসায়নিক সংযোগে যৌগ গঠিত হয় । রাসায়নিক বিক্রিয়ায় মৌলের পরমাণুগুলিই অংশগ্রহণ করে । সকল যৌগের রাসায়নিক সংস্থিতি সুনির্দিষ্ট এবং এতে বিভিন্ন মৌলের পরমাণুগুলি সরল অনুপাতে যুক্ত থাকে । অপর মৌলের সঙ্গে রাসায়নিকভাবে যুক্ত হয়ে যৌগ গঠনের ক্ষমতাকে মৌলের যোজ্যতা বলা হয় । বিজ্ঞানী লিউইস [Lewis] এবং কোসেল [Kossel] পরমাণুর বিভিন্ন কক্ষে ইলেকট্রনের সজ্জার ওপর নির্ভর করে যোজ্যতার ইলেকট্রনীয় মতবাদ প্রকাশ করেন ।

আধুনিক দীর্ঘ পর্যায়-সারণি

আধুনিক দীর্ঘ পর্যায়-সারণি [Modern long form of periodic table]:-

বিশুদ্ধ ও ফলিত রসায়নের আন্তর্জাতিক সংস্থা [International Union of Pure and Applied Chemistry সংক্ষেপে IUPAC] -এর সুপারিশ অনুযায়ী উপশ্রেণি A এবং উপশ্রেণি B -এর অবস্থান নিয়ে পূর্বে যে মতবাদ ছিল তা দূর করে দীর্ঘ পর্যায়-সারণির আধুনিক রূপটি প্রকাশ করা হয়েছে ।

শ্রেণি নামকরণের বিভিন্ন রীতি