Bengali

বাংলা ব্যাকরণ : অব্যয়

অব্যয়ের শ্রেণীবিভাগ

শুভম পাল

 

১.বৈকল্পিক অব্যয়ঃ ছেলে কিংবা বাপ যে কেউ আসবে।

২.সাপেক্ষ অব্যয়ঃ যেই পুলিশ আসল আমনি সব চুপ করে গেল।

৩.সংকোচক অব্যয়ঃ সে সব জানে কিন্তু কিছু বলল না।

৪.আলংকরিক অব্যয়ঃ কত না দিনের দেখা কত না রূপের মাঝে।

৫.সম্বোধনসূচক অব্যয়ঃ ও ভাই, কোথায় যাও?

৬.সাপেক্ষ শব্দজোড়ঃ যত মত তত পথ।

৭.সম্মতিসূচক অব্যয়ঃ বেশ তো, আপনার কথা মত সব কাজ হবে।

৮.সংযোজক অব্যয়ঃ সংগ্রাম ও শুভম দুই ভাই।

বাচ্য ও বাচ্যান্তর

বাচ্য পরিবর্তন ( দশম শ্রেণীর কবিতা থেকে) *******************************************

 

বাংলার মুখ আমি দেখিয়াছি -     জীবনানন্দ দাশ ******************************************************************************************** ১. বাংলার মুখ আমি দেখিয়াছি(কর্ম বাচ্য)…………… বাংলার মুখ আমার দেখা হয়েছে।

২. আমি পৃথিবীর রুপ খুঁজিতে যাই না।(কর্ম বাচ্য)……….. আমার দ্বারা পৃথিবীর রুপ খুঁজতে যাওয়া  হয় না।

বাংলা ব্যাকরণ : ধাতু ও ক্রিয়াপদ

বিভিন্ন ধাতুর উদাহরণ
শুভম পাল

অসমাপিকা ক্রিয়া: ছেলেরা আনন্দে নাচছে।
সকর্মক ক্রিয়া: কে ছেলেটির নাম রেখেছিল?
প্রযোজক ধাতু: মা ছেলেকে চাঁদ দেখায়।
ধ্বন্যাত্মক ধাতু: উড়ছে মাছি ভনভনিয়ে।
মৌলিক ধাতু: তুই আমার সংঙ্গে চল্।
নাম ধাতু: তুই তাকে ধমকা।
যুক্ত ধাতু/সংযোগমুলক ধাতু: খাবি খা।
যৌগিক ক্রিয়া: ছেলেরা হাকিতে লাগিল, সে সারারাত জেগে রহিল।
অসম্পূর্ণ ক্রিয়া: ‘আছ’
দ্বিকর্মক ক্রিয়া: হেমন্তবাবু আমাদের ইংরেজি পড়ান।
সাধিত ধাতু: পড়া।
বহুপদ ধাতু: সেলাম কর্
সিদ্ধ ধাতু: তুই এখন ভাত খা।

বিশেষণের শ্রেণিবিভাগ ও প্রয়োগ বৈচিত্র

বিশেষণের শ্রেণীবিভাগের উদাহরণ
শুভম পাল

বিশেষণের বিশেষণ: খুব ভালো ছেলে।
ক্রিয়া বিশেষণ: ধীরে হাঁটে।
ক্রিয়া বিশেষণের বিশেষণ: খুব ধীরে হাঁটে।
সম্বন্ধ বিশেষণ: কালোবাজারের সময় লোকটা পয়সা কামিয়েছে।
গুণবাচক বিশেষণ: ছেলেটি সৎ।
উপাদানবাচক বিশেষণ: রেশমি জামা।
সংখ্যাবাচক বিশেষণ: ছয় জামাই ছয় ঝি/ বিশেষ বলিব কী।
পূরণ বা ক্রমবাচক বিশেষণ: আমি প্রথম স্থান অধিকার করেছি।
পরিমাণ বা মাত্রাবাচক বিশেষণ: হাত-দশেক ফিতে দাও।
সর্বনামীয় বিশেষণ: এত টাকা।
ক্রিয়াজাত বিশেষণ: উড়ন্ত পাখি।
একপদী বিশেষণ: বড়ো গাছ।