Geography Question

অধ্যায়ভিত্তিক প্রশ্নোত্তর:[৭ম অধ্যায়- ২য় অংশ]

প্রশ্ন:-  সি জি গি কাকে বলে ?

উত্তর: নিজেদের কক্ষপথে পরিক্রমণ করতে করতে যখন চাঁদের কেন্দ্র, পৃথিবীর কেন্দ্র এবং সূর্যের কেন্দ্র একই সরলরেখায় অবস্থান করে, তখন তাকে সি জি গি বলা হয় (Syzygy = সি জি গি = যোগবিন্দু) ।  সি জি গি অবস্থান দুটি উপবিভাগে বিভক্ত, যথা প্রতিযোগ ও সংযোগ অবস্থান । ১) পূর্ণিমার দিন পৃথিবী যখন সূর্য ও চন্দ্রের মাঝখানে একই সরলরেখায় অবস্থান করে, তখন তাকে প্রতিযোগ অবস্থান বলে ।  অন্যদিকে ২) অমাবস্যার দিন যখন সূর্য ও চন্দ্র পৃথিবীর একই দিকে এবং একই সরলরেখায় অবস্থান করে তখন তাকে সংযোগ অবস্থান বলা হয় ।

অধ্যায়ভিত্তিক প্রশ্নোত্তর:[৭ম অধ্যায়- ১ম অংশ]

উত্তর প্রশান্ত মহাসাগরের প্রধান স্রোতসমূহের পরিচয় দাও

উত্তর: পৃথিবীর বৃহত্তম মহাসাগরের মোট আয়তন পৃথিবীর সমস্ত স্থলভাগের মিলিত আয়তনের চেয়েও বেশি । প্রশান্ত মহাসাগরকে দেখতে অনেকটা ত্রিভূজের মতো । এই মহাসাগরের নিরক্ষরেখার উত্তরের অংশ উত্তর প্রশান্ত মহাসাগর এবং দক্ষিণের অংশ দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগর নামে পরিচিত ।

প্রশান্ত মহাসাগরের উত্তর অংশের প্রধান স্রোতগুলি হল:-

অধ্যায়ভিত্তিক প্রশ্নোত্তর:[৪র্থ অধ্যায়- ১ম অংশ]

☼ বায়ুমণ্ডল:  ভূপৃষ্ঠ থেকে ঊর্ধ্বে যে অদৃশ্য গ্যাসের আবরণ পৃথিবীকে বেষ্টন করে আছে, তাকে বায়ুমণ্ডল বলে । বায়ুমণ্ডলকে চোখে দেখা যায় না, তবু আমরা এর অস্তিত্ব অনুভব করতে পারি । পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ শক্তির জন্য বায়ুমণ্ডল পৃথিবীর আবর্তনের সঙ্গে আবর্তিত হতে থাকে । ১) বিভিন্ন ধরনের গ্যাস, যেমন: নাইট্রোজেন (৭৮.১%), অক্সিজেন (২০.৯%) এবং ওজোন, কার্বন ডাই-অক্সাইড (০.০০৩%) প্রভৃতি বিভিন্ন গ্যসের মিশ্রণ, ২) জলীয় বাষ্প এবং ৩) নানা রকম সূক্ষ্ম জৈব ও অজৈব কণিকা (ধুলো, ধোঁয়া, বালি প্রভৃতি) নিয়ে বায়ুমণ্ডল গঠিত ।

অধ্যায়ভিত্তিক প্রশ্নোত্তর:[৩য় অধ্যায়- ২য় অংশ]

প্রশ্ন:-১. বায়ুর কাজ কোথায় বেশি দেখা যায় ?

প্রধানত মরুভূমি অঞ্চলেই বায়ুর ক্ষয়কাজ সবচেয়ে বেশি হয় । এর কারণ হল:- 

১) মরুভূমি অঞ্চলে পাহাড়-পর্বত, গাছপালা প্রভৃতির উপস্থিতি না থাকায় মরুভূমির ওপর দিয়ে যখন বায়ু প্রবাহিত হয় বায়ুপ্রবাহ কোনরূপ বাধার সম্মুখীন হয় না । ফলে মরুভূমির ওপর দিয়ে প্রবলবেগে বায়ু প্রবাহিত হয়,

২) আদ্রতা, বৃষ্টিপাত এবং গাছপালা কোনো স্থানের ভূমিকে দৃঢ় ও সংবদ্ধ করে রেখে ক্ষয়ীভবনে বাধা সৃষ্টি করে । মরুভূমিতে এই তিনটিরই অভাব আছে । এজন্য মরুভূমিতে শিথিল মাটি ও বালির ওপর বায়ু সহজেই তার ক্ষয়কাজ চালাতে পারে,

অধ্যায়ভিত্তিক প্রশ্নোত্তর:[৩য় অধ্যায়- ১ম অংশ]

প্রশ্ন:- ১. মন্থকূপ কী ?

পার্বত্য গতিতে নদীখাতের কোনো অংশের নরম শিলা থাকলে প্রবল জলস্রোতের সঙ্গে সঙ্গে নদীবাহিত নানান আকৃতির শিলাখন্ডগুলিও ঘুরতে থাকায় নদীখাতে গর্তের আকার ক্রমশ বেড়ে হাঁড়ির মতো হয় । পার্বত্য পথে নদীর ক্ষয়কাজের ফলে সৃষ্টি হওয়া এইসব গর্তকে মন্থকূপ বা পটহোল বলে ।

 

প্রশ্ন:- ২ খরস্রোত কী ?