Excretion in Animals

রেচনের ওপর উদ্ভিদ ও প্রাণীর নির্ভরশীলতা

রেচনের ওপর উদ্ভিদ ও প্রাণীর নির্ভরশীলতা:- রেচন প্রসঙ্গে একটি উল্লেখযোগ্য বিষয় হল এই যে, উদ্ভিদের পক্ষে যেসব রেচন পদার্থ ক্ষতিকারক, প্রাণীদের পক্ষে তা গ্রহনযোগ্য; আবার প্রাণীদের পক্ষে যা ক্ষতিকারক, উদ্ভিদের পক্ষে তা গ্রহণযোগ্য । প্রাণী কর্তৃক নিষ্কাশিত রেচন পদার্থগুলিকে উদ্ভিদ সার হিসাবে গ্রহণ করে । আবার উদ্ভিদের বিভিন্ন রেচন পদার্থ (যেমন; রজন, গঁদ, রবার, কুইনাইন, রেসারপিন, ধুনো কর্পূর মরফিন ইত্যাদি) মানুষের নানা প্রয়োজনে ব্যবহৃত হয় ।

 

উদ্ভিদ ও প্রাণীর রেচন ক্রিয়ার পার্থক্য

►উদ্ভিদ ও প্রাণীর রেচন ক্রিয়ার পার্থক্য:-

বৈশিষ্ট্য উদ্ভিদের রেচন ক্রিয়া প্রাণীর রেচন ক্রিয়া

১.রেচন

অঙ্গ/তন্ত্র

রেচন পদার্থ নিষ্কাশনের জন্য উদ্ভিদ দেহে কোনও নির্দিষ্ট অঙ্গ থাকে না । এরা পত্রমোচন, বাকল মোচন, গঁদ নিঃসরণের মাধ্যমে রেচন পদার্থ ত্যাগ করে ।

প্রাণীর দেহে রেচন পদার্থ নিষ্কাশনের জন্য নির্দিষ্ট অঙ্গ ও তন্ত্র থাকে ।

২.সঞ্চয় 

প্রাণীদের রেচন

প্রাণীদের রেচন [Excretion in Animals]:-

প্রাণীদেহে অপচিতি বিপাকের ফলে অ্যামোনিয়া, ইউরিয়া, ইউরিক অ্যাসিড, প্রভৃতি নাইট্রোজেন ঘটিত রেচন পদার্থ সৃষ্টি হয় । এগুলো সাধারণত প্রাণীদের মুত্র ও ঘামের সাহায্যে দেহ থেকে নির্গত হয়ে যায় । এগুলো ছাড়া কার্বন ডাই-অক্সাইড, কিটোন বডি, বিলিরুবিন, বিলিভারডিন প্রভৃতিও রেচন পদার্থরূপে প্রাণীদেহে উত্পন্ন হয় এবং বিশেষ প্রক্রিয়ায় ওই সব রেচন পদার্থ দেহ থেকে নির্গত হয়ে যায় ।