WBJEE: Examination Information

West Bengal Joint Entrance Examination (ওয়েষ্ট বেঙ্গল জয়েন্ট এনট্রান্স এগজামিনেশন)[WEJEE]:

Engineering /Technology /Pharmacy/ Architecture তে undergraduate কোর্সে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ গুলিতে ভর্তি হতে এবং Bengal Engineering and Science University, Shibpur এবং Jadavpur University তে B.Arch কোর্সে ভর্তি হতে জয়েন্ট এনট্রান্স পরীক্ষা দিতে হয় । WEST BENGAL JOINT ENTRANCE EXAMINATIONS BOARD কতৃক পরিচালিত এই পরীক্ষা অত্যন্ত প্রস্তুতি ও প্রতিযোগিতা মূলক পরীক্ষা । পশ্চিমবঙ্গের অন্যতম এই এনট্রান্স পরীক্ষার জন্য ছাত্র ছাত্রীরা সারা বছর ধরে প্রস্তুটি নেয়, সায়েন্সর সেরা ছাত্র-ছাত্রীরা এই পরীক্ষার মাধ্যমে নির্বাচিত হয় এবং Rank অর্জন করে । Rank অনুযায়ী Campus Counseling-এর মাধ্যমে বিভিন্ন ইন্সস্টিটিউটে ছাত্র-ছাত্রীরা ভর্তি হয় ।

 

২০১২ সাল থেকে ক্যাম্পাস কাউন্সেলিং -এর পরিবর্তে ইঞ্জিনিয়ারিং -এ ভর্তির প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য ই-কাউন্সেলিং পদ্ধতি চালু হয়েছে । এবার থেকে কলেজ পছন্দের জন্য কোনও নির্দিষ্ট দিনে আর অন্য জেলা থেকে কলকাতায় আসতে হবে না । ইন্টারনেট সংযুক্ত কম্পিউটার থাকলে বাড়িতে বসেই আর না-থাকলে সাইবার কাফেতে গিয়ে কাউন্সেলিং -এর কাজটি সেরে নিতে পারবেন ।   

 

► রাজ্যের সমস্ত সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এবং ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে ১০০% আসনই পূরণ করা হবে জয়েন্ট এন্ট্রান্সের মেধা তালিকা অনুযায়ী  ।

► রাজ্যের বেসরকারী ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজগুলিতে ৮০% আসন পূরণ করা হবে জয়েন্ট মেধা তালিকা থেকে । ১০% পূরণ করা হবে সর্বভারতীয় ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ট্রান্স পরীক্ষা (AIEEE) তে সফল ছাত্রদের মধ্য থেকে । বাকি ১০% পূরণ করা যাবে ম্যানেজমেন্ট কোটার মাধ্যমে ।

►ম্যানেজমেন্ট কোটার মাধ্যমে ছাত্র ভর্তি না-করার পূর্ণ অধিকার কলেজগুলির রয়েছে । সে ক্ষেত্রে ঐ ১০% পূরণ করতে হবে জয়েন্ট এন্ট্রান্সের মেধা তালিকা থেকে  ।

 

ই-কাউন্সেলিং –এর মাধ্যমে ভর্তির প্রক্রিয়া সম্পর্কিত কিছু তথ্য:-

♦  যে সকল ছাত্র-ছাত্রী জয়েন্ট এন্ট্রান্স (ইঞ্জিনিয়ারিং) পরীক্ষা (WBJEE)- ২০১২ এবং / অথবা সর্বভারতীয় ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ট্রান্স পরীক্ষা (AIEEE)- ২০১২ -তে উত্তীর্ণ হয়েছে, তারা এই- ই-কাউন্সেলিং –এর সুযোগ নিয়ে http://wbjeeb.nic.in ওয়েবসাইটে নিজেদের রেজিস্ট্রেশন করিয়ে পশ্চিমবঙ্গের কমবেশী ৯৬ টি কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কমবেশী ৩২,০০০ আসনে ভর্তির প্রক্রিয়ায় অংশ গ্রহন করতে পারবে

♦  এই ই-কাউন্সেলিং পদ্ধতি পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সংরক্ষণের নিয়মাবলী সম্পূর্ণরূপে মেনেই পরিচালিত হবে ;

♦  এই প্রক্রিয়া একটি ইন্টারনেট নির্ভর ব্যবস্থা যার ফলে বিভিন্ন প্রান্ত থেকে যে কোনো যোগ্য ছাত্র-ছাত্রী এতে অংশগ্রহন করতে পারবে এবং এই প্রক্রিয়ার পিছনে চালু থাকা সফটওয়্যারটি তৈরি করেছেন ও পরিচালনা করবেন কেন্দ্রীয় সরকারের অধিনস্ত ন্যাশনাল ইনফরম্যাটিক্স সেন্টার ;

♦  এই ই-কাউন্সেলিং প্রক্রিয়া প্রধানতঃ চার ভাগে বিভক্ত :-

 

► ই-রেজিস্ট্রেশন:-

•  অন-লাইন ইউজার আইডি (User ID) এবং পাস-ওয়ার্ড (pass word) তৈরি করা ;

•  শিক্ষাগত যোগ্যতার তথ্য প্রধান করা ;

•  যোগ্যতার নির্ণায়ক মাত্রা নির্ধারণ করা;

•  ই-চালান – এর প্রিন্ট নিয়ে যেকোনো কোরব্যাঙ্কিং সুবিধাযুক্ত ইউনাইটেড ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার শাখায় গিয়ে রেজিস্ট্রেশন ফি বাবদ ৫০০ টাকা জমা দেওয়া ;

•  জমা দেওয়ার তথ্য এই ই-কাউন্সেলিং –এর ওয়েবসাইটে প্রদান করা

 

পছন্দের তালিকা তৈরি:-

•  মেধা তালিকার ক্রমানুযায়ী এবং ছাত্র-ছাত্রীদের দেওয়া পছন্দ তালিকার ক্রমানুসারে নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নির্দিষ্ট কোর্সে বিভাগীয় শূন্য আসনের সংখ্যার ভিত্তিতে এই আসন ভর্তির প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে ;

•  ফলতঃ প্রত্যেক ছাত্র-ছাত্রী তার শিক্ষাগত-যোগ্যতা নির্ণায়ক মাত্রানুযায়ী সবকটি কোর্সকেই তার পছন্দের তালিকায় ক্রমানুসারে সাজিয়ে স্থান দিতে পারে ।

• জয়েন্ট এন্ট্রান্স (ইঞ্জিনিয়ারিং) পরীক্ষা ২০১২ এবং সর্বভারতীয় ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ট্রান্স পরীক্ষা ২০১২ উভয়েই উত্তীর্ণ হওয়া যেসকল ছাত্র-ছাত্রী এই ই-কাউন্সেলিং পদ্ধতিতে অংশগ্রহন করবে, তাদেরকে শুধুমাত্র একটিই পছন্দের তালিকার মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠানগুলিতে থাকা উভয় ক্ষেত্রের আসনে ভর্তির সুযোগ পাবে;

•  যেসকল ছাত্র-ছাত্রী টি-এফ-ডব্লু —এর মাধ্যমে আসন পাওয়ার যোগ্য, তারা বাছাই করা পছন্দের তালিকা তৈরির সময় প্রতিটি পছন্দের জন্য দুটি করে বাছাইয়ের সুযোগ পাবে যথা, টি-এফ-ডব্লু সহ এবং টি-এফ-ডব্লু ছাড়া

•  ১১ ই জুন ২০১২ থেকে ২৯ শে জুন, ২০১২ অবধি প্রতিটি ছাত্রছাত্রী এই পদ্ধতিতে রেজিস্ট্রেশন করতে পারবে এবং পছন্দ বাছাইয়ের তালিকা তৈরি করে চূড়ান্ত করতে পারবে;

•  বাছাই করা পছন্দ তালিকা চূড়ান্ত করার জন্য তার কাছে সুযোগ থাকবে ২৫শে জুন,২০১২ থেকে ২৯শে জুন ২০১২ অবধি । একবার বাছাইয়ের চূড়ান্তকরণ অর্থাৎ ‘লক’ করার পর ঐ বাছাই তালিকা বদল করার আর সুযোগ থাকবে না

•  যদি কোনো ছাত্র-ছাত্রী ভুলবশতঃ নিজের চূড়ান্তভাবে বাছাই করা তালিকা ২৯শে জুনের মধ্যে ‘লক’ না করে তবে, কেন্দ্রীয়ভাবে বোর্ডের সভাপতি সেই সকল ‘লক’ না করা তালিকাগুলিকে একবার ব্যবহারযোগ্য ‘পাসওয়ার্ড’ এর মাধ্যমে ‘লক’ করে দেবেন;

• তারপর ছাত্র-ছাত্রী কেবল তার ‘লক’ করা পছন্দ-বাছাই তালিকা দেখতে পারবে, প্রিন্ট নিতে পারবে কিন্তু পরিবর্তন করতে পারবেন না ;

 

আসন বন্টনের এবং রিপোর্টিং সেন্টারে ভর্তির প্রক্রিয়া :-

•  প্রত্যেক ছাত্র-ছত্রীর মেধা-তালিকার ক্রম অনুসারে . পছন্দ-বাছাইয়ের চূড়ান্ত তালিকার ক্রমানুসারের সঙ্গে নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন বিভাগের সংরক্ষণের নিয়ম মেনে শূন্য আসনের নিরিখে আসন বন্টন করা হবে । কোনভাবেই একইপছন্দের ক্ষেত্রে , মেধাতালিকায় উপরে থাকা ছাত্র-ছাত্রীর পূর্বে থাকা ছাত্র-ছাত্রী আসন পাবে লা অর্থাৎ মেধাভিত্তির মাপকাঠিই হবে আসন বন্টনের মূলসূত্র ।

•  পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সংরক্ষণের নীতি মেনেই এই আসন-বন্টন পদ্ধতি চূড়ান্ত করা হয়েছে ফলে , ই-কাউন্সেলিং নির্দিষ্ট সংরক্ষিত আসনে সংরক্ষণের পদ্ধতি অনুযায়ী পরিচালিত হবে ;

•  যদি ছাত্র-ছাত্রী যতগুলি পছন্দ বাছাইয়ের সুযোগ আছে তা সদ্ব্যবহার করে তাহলে তার পছন্দ তালিকায় উপরে থাকা পছন্দ অনুযায়ী আসন পাওয়ার সুযোগ বাড়বে ;

•  যে সকল ছাত্র-ছাত্রী জয়েন্ট এন্ট্রান্স (ইঞ্জিনিয়ারিং) পরীক্ষা ২০১২ এবং সর্বভারতীয় ইনিনিয়ারিং এন্ট্রান্স ২০১২ উভয়ের মেধা তালিকায় স্থান পেয়েছে এবং এই ই-কাউন্সেলিং –এর মাধ্যমে আসন অধিকার করতে চায়, তাদেরও একটিমাত্র পছন্দ তালিকা বাছাই করতে হবে ;

•  ই-কাউন্সেলিং এর মাধ্যমে তিন পর্যায়ের আসন বন্টনের প্রক্রিয়ার প্রতিটির পর রেজিস্টার্ড ছাত্র-ছাত্রীরা ওয়েবসাইটে তাদের জন্য নির্দিষ্ট ওয়েবপেজে প্রদেয় তথ্যের মাধ্যমে, যদি তাদের মোবাইল নম্বর এবং / অথবা ই-মেল ঠিকানা রেজিস্ট্রেশনের সময় দেওয়া থাকে, তাহলে সেই নম্বরে এস-এম-এসের এবং/ অথবা ই-মেল ঠিকানায় পাঠানো ই-মেলের মাধ্যমে আসন-বন্টনের প্রতিটি পর্যায়ের পর তার বন্টিত-আসনের তথ্য জানতে পারবে;

•  যেসকল ছাত্র-ছাত্রীরা সফলভাবে আসন অধিকার করবে এবং সেই তথ্য জানতে পারবে, তারা তাদের পছন্দমতন ২৬টি (২৫টি পশ্চিমবঙ্গের মধ্যে এবং ১টি ত্রিপুরার আগরতলাতে অবস্থিত) রিপোর্টিং সেন্টারের মধ্যে সুবিধামত যেকোনো একটিতে নির্দিষ্ট দিনে সকল ধরণের কাগজপাত্রের প্রত্যয়িত নকল এবং আসল নিয়ে উপস্থিত হয়ে ভর্তির প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহন করবে;

•  রিপোর্টিং সেন্টারে নথিপত্রের তুলনা ও যাচাইয়ের পর ছাত্র-ছাত্রীকে আপগ্রেডেশন এর সুযোগ নেওয়া বা না নেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে । এই সুযোগ নিলে কোনো ছাত্র-ছাত্রী পরবর্তী আসন বন্টনের পর্যায়ে তুলনামূলক ভাবে পছন্দ-তালিকায় উপরে থাকা পছন্দের আসন পাওয়ার ক্ষেত্রে বিবেচিত হবে ;

•  একবার আপ-গ্রেডেশন এর সুযোগ গ্রহন করলে পরবর্তী পর্যায়ে গিয়ে সেই সুযোগ থেকে নিজেকে বিরাট রাখতে পারবে কিন্তু উত্থিত / উপরের আসন পেলে তা ছেড়ে পুরাতন আসনে ফিরে আসতে পারবে না । পাশাপাশি, একবার আপ-গ্রেডেশন এর সুযোগ গ্রহন না করলে, পরবর্তী পর্যায়ে এই সুযোগ গ্রহন করা যাবে না;

•  আপ-গ্রেডেশন এর সুযোগ গ্রহন করা ছাত্র-ছাত্রীরা আসন বন্টনের শেষ পর্যায় অবধি উত্থিত হাতে পারবে এবং সে কারণে প্রতিবারের উত্থিত হওয়ার তথ্য জানার পর নতুন করে রিপোর্টিং সেন্টারে যাওয়ার দরকার নেই তারা তাদের ওয়েবপেজ, ই-মেল এবং/অথবা মোবাইল নম্বরে এস-এম-এস –এর মাধ্যমে উত্থিত আসনের তথ্য জানতে পারবে । শেষ অবধি তৃতীয় পর্যায়ের শেষে প্রদত্ত আসন অনুযায়ী নির্দিষ্ট কলেজে ভর্তির প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য উপস্থিত হাতে হবে ;

•  রিপোর্টিং সেন্টারে তথ্য যাচাইয়ের পর এবং সকল নথির প্রত্যয়িত নকল জমা দেওয়ার পর যেকোনো প্রতিষ্ঠানেই টি-এফ-ডব্লু –এর আসনে আবন্টিত ছাত্র-ছাত্রীরা ৪,০০০ (চার হাজার) টাকা, সরকারি কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ে আবন্টিত ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য ৫,০০০ (পাঁচ হাজার) টাকা এবং বেসরকারী কলেজে আবন্টিত ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য ৪০,০০০ (চল্লিশ হাজার) টাকা ওয়েস্ট বেঙ্গল জয়েন্ট এন্ট্রান্স এক্সামিনেশনস্ বোর্ডকে এক্যাউন্ট পেয়ি ডিমান্ড ড্রাফট মারফত রিপোর্টিং সেন্টারেই জমা দিতে হবে ;

•  যখন ছাত্র-ছাত্রী তাদের জন্য নির্দিষ্ট কলেজে সবশেষে ভর্তির প্রক্রিয়া শেষ করা এবং ক্লাস শুরু করার জন্য উপস্থিত হবে, তখন তাদের রিপোর্টিং সেন্টারে জমা দেওয়া টাকা বাদ দিয়ে নিয়মানুযায়ী বাকি টাকা জমা দিতে হবে;

•  ২০১২-২০১৩ শিক্ষাবর্ষে উচ্চশিক্ষা দপ্তরের ফি-স্ট্রাকচার কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী বিজ্ঞপিত সরকারি নির্দেশনামা অনুসারে বেসরকারী কলেজের জন্য বিগত বত্সরের তুলনায় বাত্সরিক মাইনের সামান্য পরিমার্জন হয়ে বর্তমানে এই ২০১২-২০১৩ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি হওয়া ছাত্র-ছাত্রীর জন্য প্রথম বর্ষে ৭২,০০০ টাকা , দ্বিতীয় বর্ষে ৭৪,০০০ টাকা, তৃতীয় বর্ষে ৭৬,০০০ টাকা এবং চতুর্থ বর্ষে ৭৮,০০০ (যা অপরিবর্তিত) টাকা হিসাবে ধার্য করা হয়েছে । এই বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য উচ্চশিক্ষা দপ্তরের ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে ;

•  সকল সরকারী কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে এবং সেই সকল বেসরকারী কলেজ যেখানে ম্যানেজমেন্ট কোটায় ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি হয়েছে এইরকম প্রতিষ্ঠানে টি-এফ-ডব্লু –এর আসনে আবন্টিত ছাত্র-ছাত্রীরা বাদে এমনকোনো ছাত্র-ছাত্রী যাদের বাত্সরিক আয় আড়াই লাখ টাকার কম, তারা ওয়েস্ট বেঙ্গল ফ্রি-শিপ স্কিম –এর অভ্যন্তরে আসার জন্য জয়েন্ট এন্ট্রান্স পরীক্ষা ২০১২ -এর ইনফরমেশন বুকলেটের ৬১ নং পৃষ্ঠায় ১৯ নং পরিচ্ছদে প্রদত্ত ফর্মায় বাত্সরিক আয়ের শংসাপত্রের আসল রিপোর্টিং সেন্টারে জমা দিলে এই স্কীমের সুবিধা পেতে পারে, যদি তার নাম সেই প্রতিষ্ঠানের ঐ বিষয়ের জন্য নির্দেশিত মেধাতালিকায় স্থান পায় । কারণ, এই ওয়েস্ট বেঙ্গল ফ্রি-শিপ স্কিমে উপরে বর্ণিত প্রতিষ্ঠানগুলিতে মোট আসনের ১০ শতাংশ ছাত্র-ছাত্রীকে মাইনের সম্পূর্ণ এবং আরো ১০ শতাংশ ছাত্র-ছাত্রীকে মাইনের অর্ধেকাংশ মুকুব করা হয় । বিস্তারিত জানার জন্য উচ্চশিক্ষা দপ্তরের ওয়েবসাইটে দেখা যেতে পারে;

 

সর্বান্তে উপলব্ধ আসনের পরিপেক্ষিতে শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানে ভর্তির প্রক্রিয়া:

•  আসন বন্টনের শেষ পর্যায়ের পর সফল ছাত্র-ছাত্রী সর্বান্তে উপলব্ধ আসনের পরিপেক্ষিতে নির্দিষ্ট শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানে ভর্তির প্রক্রিয়া শেষ করার জন্য সেখানে উপস্থিত হবে ২৬শে জুলাই থেকে ৩১শে জুলাই ২০১২ –এর মধ্যে;

•  কোনো আবন্টিত আসনের পরিপেক্ষিতে কোনো সফল ছাত্র-ছাত্রী যদি ৩১শে জুলাই ২০১২ –এর মধ্যে নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানে ভর্তির প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করার জন্য উপস্থিত না হয় তাহলে তার থেকে উদ্ভুত শূন্য আসনের পরিপেক্ষিতে উক্ত প্রতিষ্ঠান পরবর্তিতে বিকেন্দ্রীকৃত কাউন্সেলিং –এর মাধ্যমে সরকারী নির্দেশনামা অনুযায়ী ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি করতে পারবে এবং সেই সকল অনুপস্থিত ছাত্র-ছাত্রী তাদের জমা করা ভর্তির ফি ফেরৎ পাবে না ।

***