Polytechnic Exam: Information

Polytechnic Exam: টেকনিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিতে নিম্নলিখিত তিনটি ক্যাটাগোরিতে লোক নিয়োগ করা হয়, সেগুলি হল ম্যানেজারিয়াল ক্যাটাগোরি, সুপারভাইজার কাটাগোরি, ওয়ার্ক ম্যানকাটাগোরি । এই তিনটি ক্যাটাগোরির জন্য তিনরকম শিক্ষাব্যাবস্থা আছে। এটা করা হয়েছে ঐ ভিত্তিতে। যদিও এখন এইমুহুর্তে কিছু কিছু পরিবর্তন আসছে, ঐ সব ক্যাটাগোরি গুলিকে ইন্ডাস্ট্রি মানছে না, ইন্ডাস্ট্রি অনেক রকম ভাবে পরিবর্তন করে দিচ্ছে কিন্তু আমাদের শিক্ষাব্যাবস্থা এখনও তিনটি স্টেজেই রয়েছে। প্রথম ভাগ, অর্থাৎ ম্যানেজারিয়াল ক্যাটাগোরির জন্য Graduate ইঞ্জিনিয়ার নিয়োগ হয়।

    আর ITI পাশ করে ছেলেরা হাতে কলমে কাজ করবে মানে ওয়ার্ক ম্যান বিভাগে । কাজকে প্ল্যানিং করবে ম্যানেজারিয়াল ক্যাটাগোরি অর্থাৎ Graduate ইঞ্জিনিয়ার এবং কাজটিকে সম্পন্ন করবে ITI ক্যাটাগোরি বা ওয়ার্ক ম্যানরা ,অভিজ্ঞতা সম্পন্ন লেবারদের সহায়তায়। এই দুটি বিভাগের মধ্যে সংযোগ রক্ষা করে সুপারভাইজারি ক্যাটাগোরি ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার যারা পলিটেকনিক কোর্সের মধ্য দিয়ে শিক্ষালাভ করে । কারণ ম্যানেজারিয়াল ক্যাটাগোরির লোকেরা সোজা গিয়ে ওয়ার্ক ম্যানকে বোঝাতে যায় না, আবার ওয়ার্ক ম্যান ক্যাটাগোরি ম্যানেজারিয়াল ক্যাটাগোরিকে সরাসরি রিপোর্ট করে না। অর্থাৎ এই দুটি ক্যাটাগোরির মাঝখানে একটা লিঙ্ক দরকার হয়, যে জন্য শুরু হয় পলিটেকনিক কোর্স,  যারা সুপারভাইজারি ক্যাটাগোরিতে পড়বে। আগে এজন্য এর নাম ছিল লাইসেন্সসিয়েট সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং (LCE), লাইসেন্সসিয়েট মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং (LME), লাইসেন্সসিয়েট ইলেকট্রিকাল ইঞ্জিনিয়ারিং (LEE) ইত্যাদি। এর থেকেই চলে আসে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং । যদি মেধা অনুযায়ী বলা হয় তাহলে ওয়ার্ক ম্যানরা হাতে কলমে কাজ অর্থাৎ Skill অনুযায়ী বিবেচ্য হয়। Graduate ইঞ্জিনিয়ারেরা মেধাতালিকার প্রথম দিকে থাকে এবং মধ্যম মেধার ছাত্র-ছাত্রীরা পলিটেকনিক কলেজে পড়ে সুপারভাইজারি কাজে যেতে পারে । এই পলিটেকনিক থেকেও যারা ভালো ছাত্র-ছাত্রী তাদের জন্য পরেও সুযোগ আছে যেমন Lateral Entry এর মাধ্যমে Graduate ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সে ভর্তি হতে পারে । এছাড়াও ভবিষ্যতে কেরিয়ারে প্রচুর সুযোগ আছে যেমন পার্ট টাইম বি.ই/বি.টেক,  AMIE etc. তবে এমন নয় যে ডিপ্লোমা করে উচ্চ ম্যানেজারিয়ায় পোস্ট যাওয়া যায় না । এমন অনেক উদাহরণ আছে যে শুধু ডিপ্লোমা করেও অনেক উচ্চ পদে কর্মরত ব্যক্তি রয়েছেন। এটা ছাত্র-ছাত্রীর যোগ্যতার উপর নির্ভর করে।

     সাধারনত ইন্ডাস্ট্রিতে একটা অনুপাত  মেনে চলা হয়, যেমন একজন ম্যানেজারিয়াল ক্যাটাগোরির লোক থাকলে  তিন থেকে চার জন সুপারভাইজারী কাটাগোরির লোক থাকতে হয় আর ITI ক্যাটাগোরির আরো বেশি লোক থাকে।

 

West Bengal State Council of Technical Education দ্বারা পরিচালিত JOINT ENTRANCE EXAMINATION (JEXPO) FOR ADMISSION TO POLYTECHNICS IN WEST BENGAL পরিক্ষা সম্বন্ধে কিছু তথ্য:

 

 বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গে 74 টি Polytechnic College আছে ।  1) Agricultural Engineering,  2) Architecture  3) Automobile Engineering  4) Chemical Engineering  5) Civil Engineering   6) Computer Science &  technology  7) Computer Software Technology   8) Eiectrical Engineering   9) Electronics &  instrumentation Engineering  10) Electronics & Telecommunication Engineering  11) Food Processing  Technology  12) Footwear Technology  13) Information Technology  14) Leather Goods Technology  15) Mechanical Engineering  16) Mechanical Engineering (Production)  17) Medical  Laboratory Technology  18) Metallurgical Engineering  19) Mine Surveying  20) Mining Engineering  21) Packaging Technology  22) Photography  23) Printing Technology   24) Survey Engineering  বিভাগে ডিপ্লোমা ডিগ্রী দেওয়ার ব্যবস্থা আছে ।

    বছরের প্রথমের দিকে অর্থাৎ জানুয়ারি মাসের  প্রথম দিকে ৩ বছরের ডিপ্লোমা কোর্সের প্রথম বর্ষের ভর্তির পরিক্ষার জন্য  West Bengal State Council of Technical Education দ্বারা পরিচালিত JOINT ENTRANCE EXAMINATION ( JEXPO) FOR ADMISSION TO POLYTECHNICS IN WEST BENGAL দরখাস্ত নিয়ে থাকে । পরীক্ষা সাধারণত এপ্রিলের মাঝামাঝি সময়ে হয় । আর রেজাল্ট বের হয় সাধারনত May মাসে শেষের দিকে ।

 

** আবেদনকারীরা ভর্তির বিজ্ঞপ্তি  West Bengal State Council of Technical Education -এর website এ দেখতে পারেন   www.webscte.org

www.webscte.in

***