পর্যায়-সারণির বর্ণনা

Submitted by administrator on Wed, 02/13/2013 - 10:11

পর্যায়-সারণির বর্ণনা [Description of Periodic table]:- বিভিন্ন মৌলগুলিকে বিভিন্ন পর্যায়ে কীভাবে সাজানো যায় তার সংক্ষিপ্ত পরিচয় নীচে দেওয়া হল :

নিউক্লীয় সংযোজন

Submitted by administrator on Tue, 02/12/2013 - 21:26

নিউক্লীয় সংযোজন [Nuclear fusion]:-

যে নিউক্লীয় বিক্রিয়ায় কয়েকটি হালকা পরমাণুর নিউক্লিয়াস সংযোজিত হয়ে অপেক্ষাকৃত ভারী নিউক্লিয়াস গঠন করে এবং সেই সঙ্গে বিপুল পরিমাণ শক্তির উদ্ভব ঘটে, তাকে নিউক্লীয় সংযোজন বলে ।

তেজস্ক্রিয় পদার্থের ব্যবহার, দুষণ ও সতর্কীকরণ

Submitted by administrator on Tue, 02/12/2013 - 20:21

তেজস্ক্রিয়া একটি নিউক্লীয় ঘটনা, বিপদ, নিরাপত্তা এবং সতর্কীকরণ [Radioactivity is a nuclear phenomenon, hazards,safety and precautions]:-

এক্স-রশ্মি ও সাধারণ আলোক-রশ্মির তুলনা

Submitted by administrator on Sat, 02/02/2013 - 21:39
এক্স-রশ্মি এবং সাধারণ আলোক-রশ্মির তুলনা (i) এক্স-রশ্মি এবং আলোক-রশ্মি উভয়েই তড়িৎ-চুম্বকীয় তরঙ্গ । (ii) শূন্য মাধ্যমে আলোক-রশ্মি এবং এক্স-রশ্মি উভয়ের বেগ (3 x 108 মিটার / সেকেন্ড) । (iii) উভয় রশ্মিই সরলরেখায় যায় । বিশেষ ব্যবস্থায় আলোক-রশ্মির মতো এক্স-রশ্মির প্রতিফলন এবং প্রতিসরণ হয় । (iv) উভয় রশ্মিই ফটোগ্রাফিক প্লেটের উপর ক্রিয়া করে । (v) উভয় রশ্মিই তড়িৎ বা চৌম্বকক্ষেত্রে বিক্ষিপ্ত হয় না ।

এক্স-রশ্মির ধর্ম ও এর ব্যবহার

Submitted by administrator on Sat, 02/02/2013 - 09:08
এক্স-রশ্মির ধর্ম:- [i] এক্স-রশ্মি এক প্রকার তড়িৎ-চুম্বকীয় তরঙ্গ হওয়ায় তড়িৎক্ষেত্র বা চৌম্বকক্ষেত্রের দ্বারা এই রশ্মির গতিপথের কোনো বিচ্যুতি ঘটে না । [ii] এক্স-রশ্মির তরঙ্গদৈর্ঘ্য অনেক কম । এই রশ্মি মানুষের চোখে অনুভূতি জন্মায় না । কম তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের রশ্মিকে কঠিন এক্স-রশ্মি [Hard x-rays] এবং বেশি তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের রশ্মিকে কোমল এক্স-রশ্মি [Soft x-rays] বলে । এক্স-রশ্মির ব্যবহার: (i) এক্স-রশ্মির সাহায্যে ফটোগ্রাফিক প্লেটে হাত, পা বা দেহের হাড়ের ছবি পাওয়া যায় । এজন্য শল্য চিকিত্সায় এক্স-রশ্মি অপরিহার্য । (ii) এক্স-রশ্মির জীবন্ত কোশকে ধ্বংস করার ক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে ক্যান্সার, টিউমার প্রভৃতি রোগের চিকিত্সায় এই রশ্মি ব্যবহৃত হয় । একে এক্স-রে থেরাপি বলে ।

এক্স-রশ্মি উত্পাদনের নীতি

Submitted by administrator on Fri, 02/01/2013 - 23:01
এক্স-রশ্মি উত্পাদনের নীতি : তীব্র গতিবেগ সম্পন্ন ইলেকট্রনের গতি উচ্চ গলনাঙ্ক বিশিষ্ট কোনো কঠিন বস্তু (যেমন— প্লাটিনাম বা টাংস্টেন) দ্বারা বাধাপ্রাপ্ত হয়ে হটাৎ কমে গেলে বা থেমে গেলে, এর গতিশক্তির কিছু অংশ তাপশক্তিতে রুপান্তরিত হয় । এই শক্তিশালী অদৃশ্য তরঙ্গকে এক্স-রশ্মি বলা হয় । 1895 খ্রিস্টাব্দে জার্মান বিজ্ঞানী রন্টজেন (Roentgen) এই রশ্মি আবিষ্কার করেন । গ্যাস ভর্তি এক্স-রশ্মি নল :- একটি শক্ত কাচের নলের (তড়িৎ মোক্ষম নল) ভিতর বায়ুচাপ 0.001 মিমি পারদস্থম্ভের সমান রেখে নলের দুপ্রান্তে যুক্ত দুটি তড়িদ্দার অ্যানোড ও ক্যাথোডের ভিতর উচ্চ বিভব-প্রভেদ (30,000 থেকে 50,000 ভোল্ট) প্রয়োগ করা হয় ।